মতলবে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মায়া চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

চাঁদপুর প্রতিনিধি :
মতলব উত্তর মোহনপুরের নিজ বাড়িতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি,পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম।

এ উপলক্ষে ঈদের পরের দিন রবিবার সকাল সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মায়া চৌধুরীর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। মতলব দক্ষিণ এবং মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী তাদের প্রিয় নেতার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং পৃথক পৃথকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

করোনা কালীন দুর্যোগের মধ্যে নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ কেমন আছেন? মায়া চৌধুরী তাদের খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সবাইকে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে সাহসিকতা ও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

এরপর তিনি নেতাকর্মীদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী পারভীন চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ পুত্র ও আওয়ামী লীগ নেতা সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী মতলব উত্তর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসমা আক্তার আখিসহ, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগন, আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

একপর্যায়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটোয়ারীও মায়া চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

চৌধুরীর বড় ছেলে সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, প্রতিবছরই ঈদের পরের দিন আমরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী করে থাকি। অসংখ্য নেতাকর্মী বাড়িতে এসেছে তারা তাদের প্রিয় নেতার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে গেছেন। বাধা-বিপত্তি থাকার পরও তারা কোন কিছুই তারা করতে পারে নাই। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আমারা আমাদের আয়োজন সম্পন্ন করেছি।

মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আসমা আক্তার আখি জানান,করোনার এই দুঃসময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দুই মতলবের ১০ হাজার অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন মায়া চৌধুরী। নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী করা হলো। আমরা ওনার সাথে কাউকে কম্পেয়ার করিনা।

এদিকে ঈদের দাওয়াতে মায়া চৌধুরীর বাড়িতে আসা লোকজনকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

তারা জানান, মতলব উপজেলার সাহাপুর, নায়েরগাঁও উত্তর, নায়েরগাঁও দক্ষিণ, নারায়ণপুর এবং মতলব ব্রীজসহ বিভিন্নস্থানে লিখন সরকার, বাদল ফরাজী, রিয়াদুল আলম, খালেকুজ্জামান সাব্বিরসহ বেশ ক’জন যুবক পথিমধ্যে বাধা দেয় এবং মারধর করে। এতে রাব্বানি মেম্বার (৪০) , নারায়ণপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান মৃধা (২৭), শাহজাহান হোসেন প্রধান (২৬), ও আব্দুল কাদের (২৪) সহ প্রায় ১০/১৫ জন আহত হন।

You might like