হাজীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

জহিরুল ইসলাম জয়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :

হাজীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তালুকদার কাঠগোলাসহ দুইটি দোকান পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান হলো তালুকদার ফার্ণিচার ও তালুকদার ফাণিচার। ২টি দোকানই উন্নতমানের কাঠের তৈরী খাট, পালন, আলমিরা, সোফাসেটের শো-রুম এবং সোফাসেটের কাপড়, পর্দা, ওয়ালমেট বিক্রয় করে থাকে। এ ২টি দোকান ছাড়াও পাশের হারেছ প্লাজা ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।

খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসলেও প্রায় ৪০ মিনিট পর আগুন নেভানোর কাজে নামে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে আসলেও রিজার্ভ পানির মেশিন নষ্ট থাকায় তারা আগুন নেভাতে অন্য একটি পানির মেশিন নদীতে লাগিয়ে সেই পানি দিয়ে আগুন নেভাই। ততক্ষণে ২টি দোকানের মালামলা পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়।

খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মো. মাইনুদ্দীন, পৌরসভার মেয়র আ. স. ম. মাহবুব উল আলম লিপন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় আগুন নিভাতে কালক্ষেপণে ফায়ার সার্ভিসের গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ছাড়াও সাবেক মেয়র আলহাজ¦ আব্দুল মান্নান খান, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহম্মেদ খসরু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানগুলো পরির্শন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলে শান্ত্বনা প্রদান করেন।

আগুনের সূত্রপাত কিভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস।

পাশ্ববর্তী দোকানের মালিক সাজ্জাদ হোসেন জানান, আগুন লাগার দৃশ্য দেখে সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসকে ৪.৩৪ মিনিটে ফোন দেই। ফায়ার সার্ভিস সাথে সাথে ঘটনাস্থলে আসলেও রিজার্ভ পানির মেশিন নস্ট অযুহাতে প্রায় ৪০ মিনিট পরে পানি সরবরাহ করতে পারে। এতে করে অগ্নিকাণ্ডের চূড়ান্ত পরিনতি ঘটে।

তালুকদার কাঠগোলার মালিক আঃ মান্নান তালুকদার জানান, ফোনে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি আমার সবকিছু শেষ। আমার দোকানে প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল ছিল। সবপুড়েগেছে। আমি পথের ফকির হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমার প্রায দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ছাড়াও ফারিহা ফার্নিচারে ৫০ লক্ষ ও হারেছ প্লাজার নিচ তলা ও দোতলার ক্ষয় ক্ষতি সহ প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে

You might like