

সজীব খান, চাঁদপুর :
চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকায় ইলিশের অভয়াশ্রম চলাকালে প্রকাশ্যে ফেরি করে ইলিশ বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে কাজির বাজার এলাকায় ইলিশ ব্যবসায়ী লালপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রেতা মো. রাসেলকে ইলিশ মাছ বিক্রি করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় অভয়াশ্রমের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভ্রাম্যমান ইলিশ বিক্রেতাদের তথ্যমতে স্থানীয়ভাবে ইলিশের আড়তদারদের মধ্যে অন্যতম বাবলু, সফিক, বশির, রহমান, সুজন, হান্নান কবিরাজ ও ইয়ামিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ ইলিশ বিক্রেতা মো. রাসেল চাঁদপুর সদর উপজেলার লালপুর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে তিনি জানান। এসব মাছ উল্লেখিত ব্যক্তিরাই বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণভাবে ইলিশ বিক্রি করে থাকেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করছেন। এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় জেলেদের আটক করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে এবং অবৈধ জাল ধ্বংস করা হচ্ছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
মৎস্য বিভাগ জানায়, ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদীতে নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে অভয়াশ্রম চলাকালে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রির ঘটনায় মাছের উৎস কোথায় এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ আহরণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন সচেতন মহল মনে করছে।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.














