

কবির হোসেন মিজি :
চাঁদপুর– নড়ীয়া নৌ পথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী ছোট লঞ্চে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীরা এক ডাকাত সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে।
সোমবার ২১ ডিসেম্বর সকাল পৌনে দশটায় শরিয়তপুর নৌ সীমানার কাচিকাটা ও মান্দের বাজারের মধ্যবর্তী স্হানের মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নড়ীয়া থেকে চাঁদপুর অভিমুখে ছেড়ে আসা শাহ আলী–৪ লঞ্চে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা ২টি স্প্রীডবোটযোগে এসে লঞ্চে উঠে কয়েক মিনিটের মধ্যে ডাকতি কাজ শেষ করে দ্রুত সটকে পরে। একজন ডাকাত পালিয়ে যেতে না পারলে লঞ্চের যাত্রীরা তাকে হাতেনাতে আটক করে গণধোলাই দিয়ে চাঁদপুর নৌ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

লঞ্চের যাত্রী কুমিল্লার কালিয়াজুরির নিলুফা বেগম (৪৫), বোন মাকসুদা বেগম (৩৪),মেয়ে সীমা আকৃতার (২০),বোন ছেলে জুবায়ের (৮), জিহাদ(৫), রামগঞ্জের মোঃ আল আমিন, পুরান বাজারের মেঃ উজ্জল, ভাগিনা মোঃ জনি মুন্সি, রামগঞ্জের কোহিনুর বেগম, মেয়ে সাদিয়া, ছেলে আল আমিন, নাতি জিহাদ, নড়িয়ার বেনী মাধব পাল (৭০), পুত্রবধূ পিংকি পাল (৩৫), পিউস (৭) সীয়া (২)।
এসব যাত্রীরা জানায়, নড়িয়া থেকে লঞ্চ ছারার পর সুরেশ্বর ঘাট ধরে।তার পর লঞ্চ ছাড়ার ৩০ মিনিট পর দু টি স্প্রীডবোটযোগে প্রায় ১৮ জন ডাকাতের দল শাহ আলী–৪ লঞ্চটি কাচিকাটা ও মান্দের বাজারের মাঝামাঝি স্হানে আসলে ডাকাতরা লঞ্চে উঠে প্রথমে জানালার গ্লাসগুলো ভাংচুর করে। তারপর সকল যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।
তারপর নারী যাত্রীদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ, মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মাকসুদা বেগম জানান, তারা নড়ীয়ায় মেয়ে সীমার বড়ি থেকে বেড়ানো শেষ করে মেয়েকে নিয়ে কুমিল্লার কালিয়াজুরি বাড়িতে যাবার জন্য লঞ্চে করে চাঁদপুর আসছিল। ডাকাতরা তাদের গলা, কানে ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার নিতে চাইলে দিতে না চাইলে ডাকাতরা তার বোন ছেলে শিশু জিহাদ (৫) কে জিম্মি করে নদীতে ফেলে দিতে চাইলে প্রাণভিক্ষা চেয়ে স্বর্ণালংকার দিয়ে জিহাদকে ফিরিয়ে আনে।
আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, সঠিক সংবাদ পরিবেশনই আমাদের বৈশিষ্ট্য
আপডেট সময় : ০৫:০৩ পিএম
২১ নভেম্বর ২০২০ খ্রি. ০৬ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি, সোমবার








