
গোলাম নবী খোকনঃ
দেশের অন্যতম সেচ প্রকল্প মেঘনা ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ীবাঁধ। এ বাঁধ ৬০ কিলোমিটার নদী বেষ্টিত এলাকা নিয়ে গঠিত। ১৯৭৯/৮০ সালে বাঁধ সৃষ্টি হয়। এ বাঁধ সৃষ্টির লক্ষ ও উদ্যের্শ ছিল অত্যান্ত মহৎ। কিন্তু বাঁধ এলাকার কৃষক সুফল পাইতে শুরু করলেও কিছু সংখ্যক অসাধু ও স্বার্থন্বেশী মহল বাঁধের উপর ও ভিতর কর্তৃ পক্ষের অনুমতি ছাড়া অপরিকল্পিত ভাবে দোকান পাঠ ও বাড়ি ঘর নির্মান করে আসছে। প্রকল্পের ভিতর সাড়ে সতেরো হাজার হেক্টর মধ্যে প্রথমে তের হাজার হেক্টর ভূমিতে সেচ কার্য্যক্রম শুরু হয়। এখন আস্তে আস্তে কমে মাত্র ৫/৬ হাজার হেক্টরে নেমে এসেছ। এমননি ভাবে দখল দারিত্ত্ব চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে এটি হবে হোম প্রকল্প। এবং পানি নিস্কাশন ব্যবস্হা বাধা গ্রস্ত হবে।

প্রকল্প বাসি হবে ক্ষতি গ্রস্হ। অপর দিকে দেখা গেছে বাঁধ সৃষ্টির পর এ পর্যন্ত পানি নিস্কাশন খাল গুলি পূর্ণ খনন হয় নাই, যদি ও হয় ২/৪ টি। খাল গুলি পূর্ণ খনন না হওয়ার কারনে সেচ এবং বর্ষা ও বৃষ্টি মৌসুমে প্রকল্পের নিচু জমি গুলি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কৃষকের রোপা ধান ও অন্যান্য ফল মূল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়।
এ জটিলতা গুলি কমিয়ে আনার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃ পক্ষ, পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশন, এসোসিয়েশন ও পানি ব্যবস্হাপনা দল গুলো আজ বৃহস্পতিবার ১৪ জানুয়ারী সারাদিন ব্যাপী যৌথ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শুরু হয় উদ্যমদী পাম্প হাউজ হইতে শুরু করে গাজিপুর, পশ্চিম বাইশপুর, চরহরি গোপ, সিপাই কান্দি, ঠেটালীয়া, সাহেব বাজার, বারহাতিয়া, রসুলপুর টেক্সার, নয়া কানি, টরকি,ইসলামাবাদ ও নন্দলালপুর সহ অনেক সেচ ক্যানেল ও পানি নিস্কাশন খাল যৌথ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার।
তিনি বক্তব্যে বলেন প্রকল্পে যে সমস্হ সমস্যা গুলি চিহ্নিন্ত করা হয়েছে তা আমরা পর্যায়ক্রমে সকল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাল্লাহ। বাংলাদেশ পানি ফেডারেশনের সভাপতি, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশনে সভাপতি, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তি যোদ্ধা এমএ কুদ্দুস তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা মিশন,ভিশন বাস্তবায়ন করার জন্য এবং এ প্রকল্পের মানুষকে নির্ভিগ্নে, নিরাপদে বসবাস করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। তিনি আর ও বলেন প্রকল্প বাচলে মানুষ বাচবে। পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ঠিকাদার সরকার মোঃ আলাউদ্দিন,উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আতিকুর রহমান, এসও জামাল হোসেন, সালাউদ্দিন, আতিকুর রহমান, আলমাছ ও তন্বয় সহ পানি ব্যবস্হাপনা দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







