
মো: মহিউদ্দিন, ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফরিদগঞ্জে ট্রাক্টরের উপদ্রব সম্প্রতি আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্ততপক্ষে সাপ্তাহে গড়ে একটি দূর্ঘটনা ঘটিয়ে চলছে। পাশাপাশি কাঁচা-পাকা সড়কগুলো ভেঙ্গে গর্তের সৃষ্টি করছে।এ সব অবৈধ ট্রাক্টরগুলো প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই উপজেলার সবক‘টি সড়কে বেপরোয়া চলাচল করছে।
অপ্রাপ্ত বয়স্ক প্রশিক্ষনহীন চালক দ্বারা বেপরোয়া গতিতে অপ্রশস্ত রাস্তায় চালানোর ফলে জনসাধারণ ভিত ,সন্ত্রস্ত হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ ট্রাক্টরের অদক্ষ চালক ও হেলপার বল্গাহীনভাবে চালিয়ে প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হচ্ছে। বেপরোয়া গতি ও বিকট শব্দের কারণে পথচারীদের রাস্তা ছেড়ে পালাবার মতো অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক ট্রাক্টর চলছে। চাঁদপুর পুলিশ সুপার শামছুন্নাহারের সময়কালে রাস্তায় ট্রাক্টর চালানো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

এ ট্রাক্টর শুধুমাত্র সড়ক দূর্ঘটনাই ঘটছেনা এর বিকট আওয়াজ এলাকার পরিবেশে শব্দ দূষণ করছে। বিশেষ করে শিশুদের শ্রুতিশক্তিতে সমস্যার সৃষ্টি করছে। এ সকল ট্রাক্টরের রাস্তায় চলাচলের অনুমতি না থাকলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে এগুলো রাস্তায় অবাধে চলছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ট্রাক্টর মালিক জানান, আমরা থানা প্রশাসনকে মাসওয়ারা দিয়েই ট্রাক্টর চালাচ্ছি।
এ উপজেলায় গত ক‘বছর ট্রাক্ট্রর চলাচল বন্ধ ছিল । ফলে ট্রাক্ট্রর ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ করে দিয়ে মালিক পক্ষ পিক-আপ ও মিনি ট্রাক কিনে বিকল্প ব্যবস্থায় আসতে শুরু করে। সম্প্রতি ট্রাক্ট্ররের অবাধ চলাচলে অনেক পিক-আপ ও মিনি ট্রাক মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে ট্রাক্ট্রর বন্ধ করে এখন বিপাকে পড়েছি। আমারা ট্রাক্ট্ররের কারণে কাজ পাচ্ছিনা।
জনসাধারণের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে রাস্তায় চলচলের প্রয়োজনেই ট্রাক্টর বন্ধ করে দেওয়ার দাবী জানান মিনি ট্রাক মালিকরা।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইন চার্জ মো: শহিদ হোসেন থানা ম্যানেজে ট্রাক্টর রাস্তায় চলাচলের কথা অস্বীকার করে জানান, ট্রাক্টর চাষাবাদ কাজে চলবে। রাস্তায় চালানোর কোন বৈধতা নেই। পুলিশ সদস্যদের এ বিষয়ে নির্দেশ না দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি জানান, নিরাপদ সড়ক রক্ষায় রাস্তায় কোন ভাবেই অবৈধ ট্রাক্টর চলতে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







