ষঢ়যন্ত্রের জালে ফাঁসিয়ে মিথ্যে মামলায় আওয়ামীলীগ নেতার কারাভোগ

নারীদের সাথে ছবি এডিট করে পরকীয়ার অপপ্রচার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :

কঠিন ষঢ়যন্ত্রের তোপে পড়ে রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন রাজধানীর দারুস সালাম থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মাজহারুল আনাম।

একজন সৎ ও আর্দশবান এমন রাজনৈতিক নেতার ছবির সাথে বিভিন্ন নারীদের ছবি সংযুক্ত করে কাল্পনিক গল্প সাজিয়ে গনমাধ্যমে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করছেন একটি কুচক্রী মহল।

রাজনৈতিকভাবে তার আগামীর সুন্দর স্বপ্নকে বিনষ্ট করার জন্য কঠিন ষঢ়যন্ত্র ও পরিকল্পিত ভাবে তার স্ত্রীকে দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের মিথ্যে মামলা দিয়ে আইনের চোখে তাকে অপরাধী বানানো হয়েছে। কুচক্রী মহল ও তার স্ত্রীর স্বজনদের মিথ্যে মামলায় আইনের চোখে আসামি হয়ে বর্তমানে কারা ভোগ করছেন এই সমাজ সেবক ও জনদরদী আওয়ামীলীগ নেতা।

এই আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের স্বজনরা জানিয়েছেন, এবিএম মাজহারুল আনামকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং মানুষের কাছে তাকে খাটো করার জন্যই কিছু স্বার্থানেশ্বী লোক খুব নিখুঁত ভাবে তার ছবির সাথে বিভিন্ন নারীদের ছবি সংযুক্ত (এডিট) করে অপপ্রচার চালিয়েছেন। এমন কি এই মিথ্যে পরকীয়ার গল্পকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী ফিরোজা পারভীন দারুস সালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মাজহারুল আনাম। বর্তমানে তিনি ষঢ়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যে মামলায় কারা ভোগ করছেন।

জানাযায়, এমন জনপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে যে মিথ্যে মামলা দাঁড় করানো হয়েছে। তা বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১১ (খ) ধারায় দায়ের করা ৩৩ নং মামলার এজহারে অভিযোগ করা হয়- ‘যৌতুকের জন্য মারধর, গুরুতর জখম ও সহায়তা করার অপরাধ তুলে ধরা হয়। অথচ মামলার ঘটনার বিবরন এবং যে সময় উল্লেখ করা হয়েছে। অনুসন্ধ্যান করে দেখা গেছে মামলায় উল্লেখ করা সে সময় তিনি ইবাদতের জন্য পবিত্র মসজিদে অবস্থান করেছেন। যার সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজও এ প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

অনুসন্ধ্যান করে জানাযায়, আসলে এবিএম মাজহারুল আনাম কোন ভাবেই নারী লোভী কিংবা কোন পরকীয়ার সাথে জড়িত নন। তিনি তার সাংসারিক জীবনে অনেক ত্যাগ তিথিক্ষা, যন্ত্রনা, বঞ্চনা সীমা ছাড়িয়ে একটিমাত্র সন্তান লাভের আশায় ইসলামী শরাশরিয়ত মোতাবেক ২য় বিয়েতে আবদ্ধ হন। যেখানে একজন সুস্থ সবল পুরুষ তার বিবাহিত জীবনে স্ত্রী কিংবা বিনা সন্তানে সুখী নন।

সেখানে একজন পুরুষ যদি ইসলামি শরাশরিয়ত মোতাবেক কোন নারীকে বিয়ে করেন। তাহলে সেটা কোন ভাবেই পরকীয়ার আওতায় পড়েনি। আর এই ২য় বিয়ে করাটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে তার প্রথম স্ত্রী ফিরোজা পারভীনের কাছে। তাই স্বামীর সমস্ত ভরন পোষন এবং নগদ অর্থ, বাড়ি পেয়েও তিনি সুখী হতে পারেননি।

তাইতো কুচক্রী মহলের জোগ সাজেসে ষঢ়যন্ত্র মুলক ভাবে এই আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে যৌতুক এবং মারধরের কল্প কাহিনী সাজিয়ে মিথ্য মামলা দিয়ে তাকে কারাভোগ করাচ্ছেন। অন্যদিকে তার প্রতিশোধের আগুন নেভাতে ওই নেতার কয়েকটি ছবির সাথে বিভিন্ন নারীদের ছবি সংযুক্ত (এডিট) করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কয়েকটি গনমাধ্যমে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এমনটাই দাবি কারাভোগকারী আওয়ামী নেতা পরিবারের।

এ বি এম মাজহারুল আনামের ভাই মাকসুদ আনাম, কামরুল আনাম, বোন মিলি বেগম, ভাগিনা ফুয়াদ প্লাবন সহ পরিবারের অন্যারা জানায়, একজন সৎ ও আর্দশবান রাজনৈতিক জনপ্রিয় নেতার সাথে অনেকেই অনেক অনুষ্ঠানে ছবি তুলেছেন। আর সেইসব ছবি তারা সংগ্রহ করে ওই ছবির ব্যক্তির ছবি ফেলে এডিট করে বিভিন্ন নারীদের ছবি সংযুক্ত করেছেন। এবং তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করে তাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে এবিএম মাজহারুল আনাম আওয়ামী রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রাজধানীর উত্তর মহানগর এলাকায় সামাজিক কর্মকান্ড করে চলেছেন। একই সাথে সাহায্য এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বৈশ্বিক করোনা মহামারিতেও তিনি একাধিকবার মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। এছাড়াও তিনি দুইটি জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর মহানগর এলাকার ১০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুমি, বৃহত্তর মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল হক, আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফুল আনাম, দারুস সালাম থানা তাঁতীলীগের সভাপতি বাবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ সরকার, ১০ নং ওয়ার্ড তাতীলীগের সভাপতি দুলাল হোসেন সহ রাজধানীর উত্তর মহানগর এলাকার একাধিক ব্যক্তিরা জানান, যেখানে একজন নেতা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে আল্লাহ এবং নবী রাসুলের পথ অনুসরন করে চলার চেষ্টা করেন। সেখানে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন সাজানো কাল্পনিক ঘটনা সত্যি খুব হাস্যকর।

যারা এবিএম মাজহারুল আনাম কে দীর্ঘদিন ধরে জেনে শুনে এসেছেন, তারা কখনোই তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ গ্রহন যোগ্যতা পাবেনা। সত্যের জয় সুনিশ্চিত।

You might like