

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম নগরীতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মশার উৎপাতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ চলায় মশার উৎপাত বেড়েছে বলে দাবি সিটি করপোরেশন কর্মকর্তাদের। অন্যদিকে মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ মেয়র রেজাউল করিম।
জানা গেছে, আদিত্য দাশ নগরীর একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শেষ করতে হবে পড়াশোনা। কিন্তু নির্বিঘ্নে টেবিলে বসে পড়ার কোনো উপায় নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মশার তীব্র উৎপাতে মশারির ভেতরে বসেই পড়তে হচ্ছে তাকে।

মশার উৎপাতে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডেই অতিষ্ঠ নগরবাসী। নগরীর আনাচ-কানাচ, মশার প্রজননস্থল বিভিন্ন নালা-নর্দমায় ও জমে থাকা পানিতে চসিকের মশক নিধন কোনো কার্যক্রম নেই বললেই চলে। কয়েল কিংবা আগুন দিয়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করেও মশার কামড় থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কারণে বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দেয়ায় পানি জমে থাকে। এতে মশার উৎপাত বাড়ছে বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীর।
এদিকে মশা নিধনে যে ওষুধ ছিটানো হয় তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ সিটি করপোরেশন মেয়র রেজাউল করিম।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন রেজাউল করিম চৌধুরী। সে সময় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মশক নিধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।







