হাজীগঞ্জে ককটেল ফুটিয়ে বিএনপি নেতা শুকুর নেতৃত্বে দোকান ঘর দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ককটেল ফুটিয়ে বিএনপি নেতা শুকুর আলম শুকুর নেতৃত্বে রাতের আধাঁরে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দোকান ঘর দখল করতে গিয়ে তারা দোকানে থাকায় বিভিন্ন মালামাল ও নগদ অর্থ লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দোকান মালিক ইব্রাহিম খলিল।

ওই সময় দোকান ঘরটি দখলে নিতে আসা সঙ্গবদ্ধ দলটি দোকান মালিকের ভাগিনাসহ জ্জ জনকে পিঠিয়ে আহত করে। আহতরা সকলে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাটি গত ২৯ মার্চ রাত ৮টায় উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের দেবপুর বাজারের দেবপুর-রাজারগাঁও সড়কের সম্মূখে ঘটেছে।

জানা যায়, ইউনিয়নের চতন্তর গ্রামের মুন্সী বাড়ির লোকমান মুন্সীর ছেলে ইব্রাহিম খলিল একই গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে হানিফ মিয়ার দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে কনফেকশনারী ও স্টীলের আলমারীর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ঘটনার দিন রাতে চতন্তর গ্রামের মোল্লা বাড়ির আবুল খায়ের মোল্লার ছেলে জাকির হোসেন মোল্লা ও আনোয়ার হোসেন মোল্লা এবং বিএনপি নেতা শুকুর আলম শুকুর নেতৃত্বে একটি সঙ্গবদ্ধ দল ইব্রাহিম খলিলের দোকানে জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে ও ভাগিনা গোলাম রাব্বীকে মারধর করে দোকানে থাকায় বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।

এছাড়া তারা বিকাশের সিমসহ কয়েকটি মোবাইল ও ক্যাশ বাক্সে থাকায় নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লুটে নেয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল কুমার সিংহ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ আটক করে থানা নিয়ে আসেন। পরের দিন মঙ্গলবার আককৃতদের চাঁদপুর আদালতে প্রেরন করা হয়। এই দোকান ঘরটি নিয়ে হানিফ মিয়া ও আবুল খায়ের মোল্লার সাথে আদালতে মামলা চলমান থাকার পরও কি ভাবে দখল করেন এমন প্রশ্ন জেগেছে স্থানীয়দের মাঝে।

ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমি হলাম ভাড়াটিয়া। এই সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কিন্ত বিএনপি নেতা শুকুর আলম শুকুর নেতৃত্বে মহামায়া ও বাকিলার শতাধিক লোক নিয়ে আমার দোকানে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন মালামাল, মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। আমার দোষ কোথায়?

এ ঘটনায় জাকির হোসেন মোল্লা, আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সুজন, হাবিব, আবুল খায়ের মোল্লাসহ অজ্ঞাতনামা কয়কজনকে অভিযুক্ত করে ভাড়াটিয়া দোকান মালিক ইব্রাহিম বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

You might like