ফরিদগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন ও অনিয়মের মধ্যে চলছে ন্যায্যমূল্যের চাল বিক্রি

ফরিদগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট :
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ন্যায্য মূল্যের চাল বিক্রির ডিলাররা কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধিকে তোয়াক্কা না করেই চালাচ্ছে চাল বিক্রি। তাছাড়া ডিলাররা সরকারি নিয়মকে মানছেন না। চাল বিক্রির কথা সকাল ৯টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কথা থাকলেও এরা দুপুর ১টার মধ্যেই বন্ধ করে দিচ্ছে বিক্রি। এ ছাড়া নির্ধারিত ওয়ার্ডের বাহিরের লোকজনের কাছে চাল বিক্রি করায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের লোকজন বিড়ন্বনার শিকার হচ্ছে।

সরেজমিন পৌর এলাকার কেরোয়া ব্রীজের পশ্চিম পাশের্^ (১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ড) কেরোয়া, মিরপুর ও চরসন্ত গ্রামের অধিবাসীরা এ ডিলারের আওতাধীন। এ এলাকার ডিলার মোঃ মজিবুর রহমানের চাল বিক্রির স্পটে গিয়ে দেখা গেছে, কোনও ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। মুখে নেই মাস্ক, প্রচন্ড ভীড়, একাধিক লাইনে দাঁড়িয়ে চাল নিতে থাকা লোকজনের জন্য বিশৃংঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে ডিলার মোঃ মজিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, কি করবো আমরা তো পারছিনা। আপনি চান পারেন কি-না। বললাম, দায়িত্ব আপনার আমি করবো কেন?

প্রতিউত্তরে নীরব থাকেন। নির্ধারিত ওয়ার্ডের বাহিরের অন্য ওয়ার্ডের লোকজনকে চল দেওয়াতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের লোকজন বিড়ন্বনার শিকার হচ্ছে জানতে চাইলে উত্তরে সত্যতা শিকার করে জানান, দু‘চার জনকে দেওয়া হয়।

একই অবস্থায় চলছে অপর চাল বিক্রির ডিলাদেরও। পৌর এলাকার সাফুয়ায় ডিলার মোঃ ফরুক হোসেন চাল বিক্রি করে চলছে পৌর এলাকার বর্হিভূত ১৪ নং ইউনিয়নের অধিবাসীদের মাঝে।

বিড়ম্বনার শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে দেনু মিয়া, বাদশা মিয়া, আঃ জব্বার, শরিফ হোসেনসহ অনেকে জানান, আমরা কেজি চাল আর ৫ কেজি আটা কেনার জন্য দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ক্রয় করতে হয়। আমাদের সারা দিনের কাজ কর্ম শেষ। ডিলার অন্য এলাকার লোকজনের নিকট চাল বিক্রি ও দুপুর ১টার পর আর চাল বিক্রি করছে না। যদি ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চাল বিক্রি অব্যাহত রাখা হয় তাহলে আমরা আমাদের সুবিধা মতো চাল ক্রয়করতে পারবো। তাছাড়া স্বাস্থ্য বিধিও রক্ষা করা যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরিকে অবহিত করলে তিনি জানান, আমি দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারকে বিষটি দেখার জন্য বলছি। তিনি আরোও বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চল বিক্রি করতে হবে। অন্যথায় ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

You might like