`অপরাধ প্রতিরোধে পরিবারের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’

মোঃ সাদ্দাম হোসেন :

মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার। মাদক, কিশোর গ্যাং, নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি ডিজিটাল ভায়োলেন্স, বাল্য বিবাহ ও ইভটিজিং রোধে বিট পুলিশিং কার্যক্রম জনসচেতনতা মূলক সমাবেশ করেন।

গতকাল ১৪ মার্চ রোববার হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমূড়া এলাকায় বিট পুলিশিংয়ের আয়োজনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ।

ওই দিন বিকেলে ওসি হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) ইব্রাহিম খলিলসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশে কিশোর অপরাধ বাড়ছে। গড়ে উঠছে কিশোর গ্যাং। তারা অস্ত্র মহড়া, মাদক সেবন-বিক্রি, চাঁদাবাজি, মারামারি, খুন ও ধর্ষণের মত বড় বড় ঘটনা ঘটাচ্ছে ১৪-১৫ বছর বয়সী কিশোররা। এক কথায় সমাজ ব্যবস্থাকে কলুষিত করছে তারা।

পুলিশিং সেবাকে জনগনের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে এতে করে ছোট-খাট বিষয়ের জন্য থানায় যেতে হয়না, বিট পুলিশের কার্যালয় থেকেই সমাধান করা হয়। পুলিশের তৎপরতার কারণে নারী নির্যাতন ও সহিংসতা অনেক কমে এসেছে।

আধিপত্য বিস্তার ও ত্রাস সৃষ্টির জন্য গ্যাং তৈরি করে লোমহর্ষক সব অপকর্ম করে যাচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। তাদের উদ্দেশ্য ও ভাবনা পুরোই আলাদা। ফেসবুক গ্রুপ, বাহারি পোশাক, মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়ার মাধ্যমে এলাকায় নিজেদের আধিপত্র বিস্তার করে তারা। কিশোরদের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে সমাজের মানুষ। আমি মনে করি এই কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবারের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আপনাদের এলাকায় এসকল অপকর্মে যারা জড়িত রয়েছে তাদের তথ্য দিন। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। এই হাজীগঞ্জকে মাদক মুক্ত কিশোর গ্যাং মুক্ত করতে আপনাদের সহযোগিতার প্রয়োজন। অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আশার আহবান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন, সেলিম মিয়া, মো. হারুনুর রশিদ, ইউনুস মিয়া, এএস আই রিয়াজ উদ্দিন, দিমান বড়ূয়া, মোজাম্মেল হক, সুজন কুমার দাস। সমাবেশে স্থানীয় সাধারন জনগন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈকি নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

You might like