

কবির হোসেন মিজি, নিজস্ব প্রতিবেদক :
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দে কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন। এ দু,দিন ধরেই বিভিন্নস্থান থেকে আগত দর্শনার্থীদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। তবে ছিলোনা কোন স্বাস্থ্যবিধি।

শুক্রবার (১৪ মে ) সারাদেশে একযোগে পালিত হলো মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। সারা দেশের সাথে ঈদের এমন আনন্দে মেতে উঠেছিলো চাঁদপুরবাসীও।
একমাস সিয়াম সাধনার শেষে শুক্রবার উদযাপন হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদের এ আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে ব্র্যন্ডিং জেলা চাঁদপুর বড়স্টেশন মোলহেডে (পর্যটনকেন্দ্র) ছিলো দর্শনার্থীদের উপছে পড়া ভিড়। ঈদের দিন হতে শুরু করে এ ভিড় থাকবে ঈদের তৃতীয় বা ৪র্থ দিন পর্যন্ত।
করোনাকালীন সময়ে তেমন কনো স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই চাঁদপুরের একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র তিন নদীর মিলনস্থল বড় স্টেশন মোলহেডে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঈদের দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চাঁদপুর শহর এবং বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা (পযটক) দর্শনার্থীদের মোহনার চারপাশে উপচে পড়া ভিড়।
বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ঘুরতে এসেছেন তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে। কেউ কেউ তাদের ভাই, ভাবি, ভাতিজী ,বোন, ভাগিনা , ভাগ্নি কিংবা কেউ তাদের প্রিয়জনকে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিন নদীর মিলনস্থলে ঘুরে ফিরে সময় কাটিয়েছেন। বিভিন্ন মানুষের উপস্থিতিতে সেখানে সৃষ্টি হয় এক মহা মিলন মেলা।
সেখানে শিশুদের রেলগাড়ী এবং চরকী ঘোড়া থাকায় শিশুরা সেগুলিতে চড়ে আরো বেশি আনন্দপায়। আবার কেউ কেউ নিজস্ব ক্যামেরা কিংবা মুঠোফোনে বিভিন্ন রঙে-ঢঙে সেলফি তুলে ঈদে অনেক আনন্দ উপভোগ করতে দেখা যায়।
এভাবেই দর্শনার্থীরা চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডে ঈদের তিন দিন ঘুরে ফিরে সময় কাটান, আর আনন্দকে নিজেদের মতো করে উপভোগ করে নেন। কয়েকজন দর্শনার্থী জানান চাঁদপুরে তেমন কোনো পর্যটন কেন্দ্র না থাকায় এটিই এখন চাঁদপুরের একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে।







