

মোঃ মহিউদ্দিন,ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর ) সংবাদদাতা :
চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ-রায়পুর আঞ্চলিক মহাড়কে যাতায়াতকারী যানবাহন থেকে ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত ২৪৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে চাঁদপুর সেতুটি ১৮ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয়। এখনও এ সেতুর টোল আদায় চলছেই।
অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিই কথা দিয়েছিলেন এই সেতুর টোল আদায় বন্ধ হবে । কিন্তু কেউ কথা রাখতে পারেনি। এ পথের যাত্রীরা ধারনা করেছিল চলতি অর্থ বছরে এই সেতুর টোল আদায় বন্ধ হবে। কিন্তু তা না করে আবারও চাঁদপুর সেতু থেকে সড়ক বিভাগ ২০২১-২০২৪ অর্থ বছরের জন্য মেসার্স এম আই ট্রেডিংকে টোল আদায়ের লক্ষ্যে ৩ বছরের জন্য ইজারা দিয়েছে ৮ কোটি ৮ লক্ষ টাকায়। সম্প্রতি মঙ্গলাবার ১৬ আগষ্ট জেলা প্রশাসকের মাসিক সমন্বয় সভায় টোল বন্ধের জন্য খোদ জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খাঁন মজলিস প্রস্তাব উথ্যাপন করেন। এ বিষয়ে সোস্যাল মিডিয়া জুড়ে জেলা প্রশাসকে অভিনন্দন দিয়ে চলছে ব্যাক্তি ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জানা যায়, চাঁদপুরে ডাকাতিয়া নদীর উপর একই মাপের তিনটি সেতুর মধ্যে দুটির টোল আদায় বন্ধ হয়েছে। শুধু বন্ধ হয়নি ফরিদগঞ্জ-রায়পুর সড়কের চাঁদপুর অংশে অবস্থিত চাঁদপুর সেতুর টোল আদায়। অভিযোগ রয়েছে টোল আদায়ের ক্ষেত্রে সওজ দ্বৈত নীতি অবলম্বন করেছে।
এই সেতুর টোল আদায় বন্ধে মহাজোট সরকারের মন্ত্রী, এমপিসহ উর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গকে স্বারকলিপি প্রদান করে দাবী পেশ করা হয়। তাছাড়া মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর, বিক্ষোভ, সমাবেশ করলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি।
এ বিষয়ে সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, টোলের বিষয়ে গত মাসিক সমন্নয় সভায় জেলা প্রশাসক বিষয়টি উপস্থাপন করেন। আমরা বলেছি সওজ বিভাগের সচিব ও মন্ত্রী মহোদয়কে পত্র প্রেরনের জন্য। মন্ত্রনালয়ের যেকোন সিদ্ধান্ত আমরা বাস্তবায় করবো। কিন্তু এ মহুর্তেই টোল আদায় বন্ধ করা যাচ্ছেনা।
জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খাঁন মজলিস (১৭ আগষ্ট মঙ্গলবার ) বলেন, চাঁদপুর জেলায় আসার পর বিভিন্ন সংগঠন এ সেতুটির টোল আদায় বন্ধের দাবী করে আসছে। এটি চাঁদপুর বাসীর গণদাবি। জনস্বার্থে আমি বিষটি প্রাথমিকভাবে উপস্থাপন করছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের সাথে কথা বলে সেতুর টোল আদায় বন্ধে পত্র প্রেরণ করা হবে।
তিনি আরোও বলেন, আমার সচিব মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে, তাতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লক্ষ্য করা গেছে।







