

প্রাচীন যুগ!
দশম শতাব্দীতে ভাষা আলো-আঁধারি,

বৌদ্ধ সহজিয়া গান বাঁধে চর্যাপদে।
সন্ধ্যাভাষায় মগ্ন মুনি আর সাধুগণ,
নেপালের রাজ গ্রন্থাগারে রহে পুঁথি।
মধ্য যুগ!
বারোশো খ্রিষ্টাব্দে জাগ্রত বাংলা সাহিত্য,
নতুন রূপ পেল যেন লেখকের কাব্য।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আর মঙ্গলকাব্য গান,
মহাভারত-রামায়ণে জুড়ায় পরাণ।
মরমী সাধনা আর পুঁথি সাহিত্যের গান,
অনুবাদ সাহিত্যে ভরে ওঠে পাঠকের মন।
আধুনিক যুগ!
আঠারোশো খ্রিষ্টাব্দে সাহিত্যের সন্ধিক্ষণ,
উনবিংশ শতাব্দীতে সাহিত্যের নবপ্রাণ।
আঁধারের বুক চিরে ফুটিলো যে রবি,
নতুন আলোয় রাঙালো বাংলার কবি।
বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল কবিগণ,
আঁকলেন হৃদয়েতে মুক্তিরও ছবি।
নাটক, উপন্যাস আর ছোটগল্পে,
বিশ্বমঞ্চে রচিল এক নয়া ইতিহাসে।
প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.
শেয়ার করুন
–
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.













