

বিশ্বাসের সুতো ছিঁড়ে গেল আজ এক নিমিষের ঝড়ে,
পরের মানুষ বাড়লো ঘরেই, নিজের মানুষ পর করে।
ঢাকা যাওয়ার বাহানা গড়ে ফিরলো যখন ঘরে,
বুকের ভেতর জ্বললো আগুন, দৃশ্য দেখার পরে।
যাকে আমি ভেবেছিলাম সুখের ঘরের নদী,
সে-ই তো আজ ডুবিয়ে দিলো স্রোতের অবধি।
হাতেনাতে ধরা পড়ে নীরব হলো রাত,
কাকে দেবো দোষ বলো, কার ওপর এই ঘাত?

অভিযোগের পাহাড় ঠেলে ঝগড়া করিনি আর,
কান্না চেপে মেনে নিলাম নীরব পরাজয় আমার।
পাঁচ লাখ টাকা কাবিন বেঁধে বিয়ের দিলাম আয়োজন,
পরের হাতে সঁপে দিলাম নিজের ছিলো যে জন।
চোখের জলে বিদায় দিয়ে তুলে দিলাম বাসে,
অদেখা এক যন্ত্রণাতে বিশ্বসমাজ হাসে।
সবাই ভাবে শান্ত আমি, হলাম কতো বড়,
কে বোঝে মোর বুকের ভেতর বিষের পাথর জড়ো!
সংসারের এই নাট্যমঞ্চে একলা হলাম আমি,
সম্পর্কের এই চরম বিদায়ে মূল্য হলো দামী।
যে বিশ্বাসে বাঁধলাম ঘর সবিই হলো ছাই,
আজকে আমার সান্ত্বনা যে নিজের কাছেই নাই।
লজ্জা ঢাকা হাসির আড়ালে বুকটা ফাটে একা,
এমন চরম নিষ্ঠুরতা ভাগ্যে ছিলো লেখা।
সব হারিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম শূন্য পথের পাড়ে,
এমন ব্যথার বিচার বলো কে দেবে এই সংসারে?
প্রকাশিত : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬













