

ডায়াাবেটিস হলে শরীরে ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে দেহের কোষে গ্লুকোজ পৌঁছাতে পারে না। এতে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যায়। প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্লুকোজ শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
এতে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করতে পারে না দেহের কোষগুলো। রোগী দুর্বলতা অনুভব করেন। রোগী যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে তার রক্তনালি, স্নায়ু, কিডনি, চোখ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

‘গ্লুকো কেয়ার’ হাকীম মো. মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস) কর্তৃক দশটি ভেষজের সমন্বয়ে তৈরি একটি ভেষজ পাউডার। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যে অত্যন্ত অপরিহার্য।
এতে রয়েছে ২৫টি উপাদান :
জামবীজ, সজিনা, নিমপাতা, আমপাতা, পেয়ারাপাতা, তেতুল, তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, জিরা, মৌরি, সরিষা, মেথি, কালমেঘ, অর্জুন, কালোজিরা, আলফালাফা, গুড়মার, আদা, চিরতা, পেয়ারাপাতা, দারুচিনি, শিমূল, করলা, অর্জুনসহ প্রয়োজনীয় সব ভেষজ। যা সেবনে দেহে কোনোপ্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না।
এই ভেষজ পাউডার সেবনে ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়ে স্বাভাবিক করে। ধীরে ধীরে রোগীর ডায়াবেটিসের মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে শারীরিক জটিলতা দূর হয়। এতে ইনসুলিন ইঞ্জেকশনের প্রয়োজন হয় না। রক্তে সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
বিশেষ পরামর্শ:
* স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
* নিয়মিতভাবে সালাদ খাবেন।
* প্রচুর হাঁটাহাঁটি করুন।
* পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্য খান। যেমন-ওটমিল, বার্লি, ব্রাউন রাইস, ভুট্টা, বাজরা ইত্যাদি পূর্ণ শস্য জাতীয় খাদ্য দিয়ে সকালের নাস্তা করুন।
এতে কোষ্ঠকাঠিন্য, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কফি পান করুন।
* ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন। এতে স্থুলতা, উচ্চ কোলেস্টেরল, হজমে সমস্যা এবং হৃদরোগ বাড়ে।
* দারুচিনি খাবেন। করোলা জাতীয় খাদ্য খাবেন।
* মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন।
* ধুমপান ত্যাগ করুন।
* প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খাবেন। সঠিক সময়ে খাবার খান। অতিরিক্ত খাবার খাবেন না। কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করবেন। এতে আপনার শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় উপাদান বের হয়ে যাবে।
* সর ছাড়া দুধ ও ডিম খান। তেল খেলে তা অল্প পরিমাণে খাবেন।
টমেটো, শসা, বেগুন, মাশরুম এবং সবুজ সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত
মিষ্টি আলু রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
সাধারণ ব্লেন্ড চা দিয়ে রঙ চা বানিয়ে সকাল আর রাতে খেতে পারলে শরীর চাঙা থাকবে।
অলিভ অয়েল দিয়ে কিছু সালাদ কিংবা হালকা রোস্ট করা লিন মিট খাওয়া যেতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের প্রোটিনেও মানা নেই। তবে আপনি কেমন মাংস খাচ্ছেন সেটাই মুখ্য বিষয়। লাল মাংস যেমন গরুর মাংস একেবারেই খাওয়া চলবে না। তবে লিন মিট যেমন মুরগীর মাংস, কোয়েলের মাংস এমনকি কবুতরের মাংস খাওয়া গেলে ভালো হয়। বাজারে পিনাট বাটার পাওয়া যায়। তবে বাদাম খেতে পারলে ডায়াবেটিস রোগীরাও প্রোটিন পাবেন।
সামান্য একটু শরবতও খেয়ে দেখতে পারেন
লেবু, বিট লবণের ফ্লেভারে আপনার জুস খাওয়ার ইচ্ছেটাও পূরণ হতে পারে
মাঝেমধ্যে আপনারও শরবত খাওয়ার ইচ্ছে হতে পারে। তবে সচরাচর সব ফলের শরবত খাওয়া সম্ভব হয়না। এক্ষেত্রে অনেকের অপছন্দ হলেও বাঙ্গির শরবত কিংবা লেবু চিপে শরবত করা গেলে ভালো হয়। অবশ্যই চিনি মেশানো যাবেনা। পানি সবসময়ই শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু লেবু, বিট লবণের ফ্লেভারে আপনার জুস খাওয়ার ইচ্ছেটাও পূরণ হতে পারে।
উপমহাদেশের বা অনেক শর্করা প্রধান খাবারের দেশে – ডায়াবেটিস রোগীদের সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। কিন্তু সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমানো যায় এমনকি তৃপ্তি মিটিয়েও খাওয়া যায়। তবে হ্যাঁ, সেখানে ভাতের জায়গায় সবুজ সবজি আর আঁশজাতীয় খাবার থাকবে। কি আর করার! এভাবেই এখন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হবে।
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।
ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।
মুঠোফোন : (চিকিৎসক) 01742-057854
(সকাল দশটা থেকে বিকেল ৫টা)
ইমো/হোয়াটস অ্যাপ : (চিকিৎসক) 01762-240650
ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.















