দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দক্ষতায় যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় আতিকুর রহমান রানা

‎কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনীতিতে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দায়িত্ব পেতে আগ্রহী নেতাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সেই আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নামগুলোর একটি বর্তমান জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান (রানা)

আতিকুর রহমান রানা কুড়িগ্রামের প্রয়াত যুবদল নেতা মরহুম রায়হান কবীরের ছোট ভাই।

‎দীর্ঘ প্রায় ২৬ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় ছাত্রদল থেকে যুবদল—প্রতিটি ধাপে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে জেলার অনেক নেতা-কর্মীর কাছে তিনি একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য সংগঠক হিসেবে পরিচিত।

‎জীবন বৃত্তান্ত অনুযায়ী, ২০০১ সালে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দেন আতিকুর রহমান রানা। এরপর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।

‎রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। বিভিন্ন দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড এবং মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ।

‎দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ এবং কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের গুণাবলির কারণে আতিকুর রহমান রানাকে জেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে। বিশেষ করে তরুণ নেতৃত্ব তৈরিতে এবং তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তাদের বিশ্বাস।

‎জীবনবৃত্তান্তে আতিকুর রহমান রানা বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তিনি সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। দল যদি তার ওপর আস্থা রাখে, তবে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলকে একটি আদর্শিক, সুসংগঠিত ও কর্মীবান্ধব সংগঠনে পরিণত করতে কাজ করবেন।

‎এদিকে, তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদল আরও ঐক্যবদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি মরহুম রায়হান কবীর, যিনি ২০১৭ ইং সালে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণের আগে থেকেই বিগত পতিত ফেসিস্ট সরকার পতনে কুড়িগ্রাম জেলা ‘র প্রধান সেপাহসালার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ইং সনে ২৫ শে ডিসেম্বর দেশ নায়ক তারেক রহমান এর স্বদেশে প্রত্যাবর্তন দিবসের অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ঢাকা ইউনাইটেড হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যু বরণের কয়েক ঘন্টা আগেই মৃত্যু বরণ করেন।

প্রকাশিত : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ :

.

You might like

About the Author: priyoshomoy