লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞা

সজীব খান :

পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে,শিক্ষা স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি, আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, তরুণ সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আপামর জনতার পছন্দের প্রার্থী মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞা আলোচনায় শীর্ষে রয়েছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞার নাম স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞাকে অনেকে তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তরুণদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও তার পরিচিতি রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কাজ করা সুমন আহমেদ ভুুঁঞা একজন তরুন নেতা হিসেবে লক্ষ্মীপুরকে বদলে দিতে কাজ করার কথা শুনা যাচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, ইউনিয়নের উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা, রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করার মতো বিষয়গুলোতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এসব বিষয়কে সামনে রেখেই সুমন আহমেদ ভূঁঞার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে তরুণদের সম্পৃক্ত করে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে। জনগণই আমার শক্তি। তাদের মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই আমি এগিয়ে যেতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “সবচেয়ে বড় কথা হলো, চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ যদি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করেন, তাহলে অবশ্যই আমি মাঠে থাকব এবং নির্বাচন করব। আমি বিএনপির একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে দলের সিদ্ধান্তকেই সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত মনে করি। দলের সিদ্ধান্তই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।”

নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে সুমন আহমেদ ভূঁঞা বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ আসনে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে বিজয়ী করতে আমি আমার ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করেছি এবং বিজয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছি। বিগত দিনের আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলের প্রতি আমার ভূমিকা বিবেচনা করে দল আমাকে মূল্যায়ন করবে—এমন প্রত্যাশা আমি রাখি।”

তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সব মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করব। ইউনিয়নের যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভোটারদের প্রত্যাশা, সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মপরিকল্পনা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চেয়ারম্যান পদে মো. সুমন আহমেদ ভূঁঞা শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন কি না এবং হলে কী ধরনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ভোটারদের সামনে আসেন—সেদিকেও নজর রয়েছে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নবাসীর।

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.

You might like