

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রহিমানগর শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ থেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতি এবং অস্বচ্ছ ও বিধি বহির্ভূত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। রহিমানগর শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজের অভিভাবক মো. আবুল হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এই তদন্ত করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা কার্যালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর সোমেশ কর চৌধুরী।
যার স্মারক নং-৩৭.০২.০০০০.১০৫.২৭.০৩৪.১৯.৮৬৯। মাউশি কর্মকর্তাদের শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্ত করার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবীতে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ ও কলেজের সাধারন শিক্ষার্থীরা।

এসময় কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, মাউশি কুমিল্লা আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মমিনুর রহমান ভূঁইয়াসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে তদন্তকালীন সময়ে কলেজের বর্তমান গভনিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ও অভিযোগের বাদী (অভিভাবক) আবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন না।
একই দিনে তাঁরা প্রতিষ্ঠানে সু-শাসন প্রতিষ্ঠার নির্মিত্তে অংশীজনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে একটি সভা করেন। এব্যাপারে কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্তের বিষয়ে এড়িয়ে বলেন, মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর সোমেশ কর চৌধুরী কলেজে সুসাশন প্রতিষ্ঠার নির্মিত্ত বিষয়ক একটি প্রোগ্রামে এসেছেন বলে তিনি দাবী করেন। অন্যদিকে মাউশির পরিচালক সোমেশ কর চৌধুরীর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট যোগদান করেন। ওইদিন কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মমিনুর রহমান ভুইয়া তাঁকে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন। এর আগে ওই কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম শাহ আলম সিকদার কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অবসরে যেতে বাধ্য করেন বলে এলাকা সূত্রে জানা গেছে।







