তরপুচন্ডী ইউনিয়নে সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শীর্ষে অ্যাডঃ আলম খান মঞ্জু

স্টাফ রিপোর্টার :

চলতি বছরে বিগত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। বর্তমানে এ সরকারের সময়ে প্রথম অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। তবে আগে উপজেলা নাকি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে তা নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট ভাবে সিদ্ধান্ত না হলেও প্রচারনায় থেমে নেই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রত্যাশীরা।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় ৭নং ততরপুচন্ডী ইউনিয়নের অবস্থান। এই ইউনিয়নে একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচারনার গুঞ্জন শোনা গেলে ও আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির ত্যাগী নির্যাতিত নেতা অ্যাডঃ আলম খান মঞ্জু। তরপুচন্ডী ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা রয়েছ ১২ হাজার ২শত ১৬। এ ভোটাররাই তরপুচন্ডী আগামী দিনের অভিভাবক নির্বাচন করবেন।

সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য এডভোকেট আলম খান মঞ্জু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে, ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আছি, রাজনীতির পাশা পাশি তরপুচন্ডী ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করছি, মানুষের জন্য রাজনীতি করার অর্থ হলো নিঃস্বার্থভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান করা এবং সমাজকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা। আমিও সেই লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে রয়েছি।

বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বিরোধী সংগ্রামে, আন্দোলনে কাজ করেছি, হামলা ও মামলার স্বীকার হয়েছি, আওয়ামী শাসন আমলে তরপুচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মামলার আইনজীবি হয়ে আইনী সেবা প্রদান করেছি, কারাবরণ নেতাদের জামিন করতে বিএনপি সমর্থীত আইনজীবিদের সাথে সক্রিয় ভাবে কাজ করেছি।

তিনি বলেন, তরপুচন্ডী ইউনিয়নের নদী ভাংতি এলাকা ৮ও ৯ ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায় স্থানীয় লোকদের বহুদিনের, কাংখিত দাবি নদী ভাঙ্গন রোধ করার, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমার প্রকল্পে একক প্রচেষ্ঠায় শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপির সহযোগিতায় ৩০ হাজার জিও ব্যাগ,পালানোর কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে, এছাড়া ও নিজস্ব অর্থায়নে, ইউনিয়নের বহু রাস্তা, কালবাট, সংস্কার ও মেরামত করেছি, অসহায়,দুস্ত, এতিম মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার সহযোগীতা করেছি, তরপুচন্ডী ইউনিয়নের আপনার জনতার পাশে থেকে এখনো সেবা প্রদান করছি।

তিনি বলেন, আমি গত ইউপি নির্বাচনে বিএনপির সমর্থীত প্রার্থী হিসাবে অংশগ্রহণ করলেও আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি জোরপূর্বক আমার শতভাগ বিজয় নিশ্চিত জেনে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার আর করতে বাধ্য করে।

তিনি আরো বলেন, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নব্যাপী শিক্ষার হার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করবো, খেলাধুলা এগিয়ে নিতে ইউনিয়নের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উৎসাহসহ খেলাধুলার যাবতীয় ব্যবস্থা করবো, মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিয়ে সহ অসামাজিক কর্মকান্ড নির্মূলে জোরালোভাবে কাজ করা হবে, ইউনিয়নের কোমলমতি নারী শিক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে সেজন্য সকল প্রকার ইভটিজিং বন্ধ করা হবে।

এছাড়া যোগাযোগ, কৃষি,স্বাস্থ্যসহ সামগ্রিক উন্নয়ন করা ইনশাল্লাহ, বিগত দিনে আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার কর্মকান্ড দেখে চাঁদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা,চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি আশা রাখি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল থেকেই আমাকে মূল্যায়ন করবে।

প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

.

You might like