

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আসুন পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে এক সাথে পথচলি, আপনার ভোটের মাধ্যমেই শুরু হউক আগামীর আশিকাটির পরিবর্তন, চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি এম এ ইউসুফ মিন্টু মিয়াজী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আশিকাটি ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংমুক্ত কাজ করতে চান তিনি, পাশাপাশি দখলদারত্ব প্রতিরোধ, শিক্ষা, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, এবং নারীদের কুটিরশিল্প এবং সকল নারীদেরক উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
কারা নির্যাতিত এম এ ইউসুফ মিন্টু মিয়াজী পারিবারিক ভাবেই বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন, তাঁর পিতা মরহুম হাজী আব্দুল গফুর মিয়াজী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন।
বাবার আদর্শ এবং মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে আদর্শিত হয়ে পারিবারিকভাবেই তিনি বিএনপির রাজনীতির প্রতি বিশ্বাস ও অনুরাগ নিয়ে বেড়ে উঠেছেন।
এম এ ইউসুফ মিন্টু চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপি ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক চাঁদপুর জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এম এ ইউসুফ মিন্টু মিয়াজী বলেন, আমি চাঁদপুর শহরে আল-আমিন একাডেমিতে অষ্টম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে ৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের যে মিছিল হয়েছিল, সে মিছিলে আমি অংশ গ্রহন করেছি, সেমিছিলে রাজু পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
২০১১/১২সালে চাঁদপুর জেলা যু্বদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার সময় ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় থাকা অবস্থায় ২০১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৮ ও ২৩ সালের ২৯ শে অক্টোবর পর্যন্ত তিনটি হত্যা মামলা সহ মোট ১৬টি মামলার আসামি হই, এবং ২০১৫ সালে দীর্ঘ সময় কারা বরণ করি। তৎকালীন ফ্যাসিবাদের নির্দেশে যৌথবাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত হই এবং আমাকে গুলিকরে মেরে পেলার চেষ্টা করা হয় একাধিক বার। ২০১৫ সালের ৩১ শে জানুয়ারি গভীর রাতে সাবেক ফ্যাসিবাদের দোসর, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম খানের নেতৃত্বে আমার বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এবং আমার বাড়ি সামনে মিয়ার বাজারে আগুন সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ করে, সেই সমাবেশে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আমার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার প্রকাশ্য সিদ্ধান্ত হয়।
ওই সময়ে আমিসহ আমার পরিবার, বাবা, মা দীর্ঘ সময় বাড়ি থেকে বিতাড়িত হই। উক্ত বিষয়গুলি আমাদের চাঁদপুরের অভিভাবক, জেলা বিএনপির সভাপতি, চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী আসনের এমপি মহোদয় শেখ ফরিদা আহমেদ মানিক ভাই ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ভাই উক্ত বিষয়গুলো অবগত আছেন। ওই দুঃসময়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি মহোদয় প্রতিনিয়ত আমার এবং আমার অসুস্থ বাচ্চা ও পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছেন, হাইকোর্ট থেকে সকল মামলাগুলোর আগাম জামিন করিয়েছেন, উনি আমার এবং আমার পরিবারের পাশে থাকায় আমি আমার এ রাজনৈতিক অভিভাবকের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব।
আমার দীর্ঘ রাজনীতিতে বিএনপির আদর্শ থেকে বিচলিতি হইনি কখনো এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম দুঃসময় সক্রিয় থাকায় আমার উপর ইউনিয়ন বিএনপি’র দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমিও সততা নিষ্ঠার সাথে ইউনিয়ন বিএনপির ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় করে অদ্যবতী দায়িত্ব পালন করে আসছি।
দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন,আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তই আমি মেনে নিবো,দল যাকে মনোনয়ন দিবে দলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.














