এ তল্লাটে থাকা আমার হলো না আর

যুবক অনার্য :

এ তল্লাটে থাকা আমার হলো না আর থাকতে চেয়েছিলাম আমি হাতের কাছে হাতটা হয়ে পায়ের কাছে পা
বুকের সঙ্গে বুক মিশিয়ে থাকতে তবু
এ তল্লাটে থাকা আমার হলো না আর
হৃদ- মাঝারে ব্যথার দুপুর বুনে দিয়ে
শালপবনের বাঁশি তোমায় দিয়েছিলাম
সেই বাঁশিতে অন্য সুরে গাইলে তুমি

আমার তারে তোমার ছবি বৃষ্টি আঁকে শ্রাবণ মেঘে
তুমি তোমার বুকশেল্ফের বইপোকা আর ধূলোমাটি যেমন করে সরিয়ে রাখো আমার অমল সন্ধ্যা সকাল তেমনি করে সরিয়ে দিলে
আমি তবু আমার গোপন সকালগুলি তোমায় দিলাম
সংগোপনে ফুলের কাছে চুপি চুপি
পাতার কাছে পাখির ডানায়
তোমার তুমুল দুঃখগুলি লুকিয়ে রেখে আর বেলাতে কে তোমাকে চেয়েছিলো শুভ্রতা আর গল্পরঙের পরাগ মেখে রাঙিয়ে দিতে

এসব কথা থাকলো না হয় বুকের কোমল বুক পকেটে
একশ’ ভালোবাসার কথা শুনাইনি তো বলেছিলাম তোমায় আমি গড়ের মাঠে
ভূত দেখাবো সন্ধ্যা রাতে
ইশকুলের অই পেত্নি তোমায় ভয় দেখাবে শীতের বেলা কাঁথার ছায়ায়
বলেছিলাম লুকিয়ে আমি রাখবো তোমায় যে নদীটা কেবল আমার রক্ত জুড়ে
বয়ে চলে- সেই নদীতে স্বপ্ন ক’রে
কি এসে যায় তোমার তাতে
তোমার বুঝি বয়েই গেলো!
কিছুই না হোক নাই বা হলো

আমি না হয় চলেই গেলাম
তবু তুমি তোমার মতো ভালো থেকো
একলা-রাতে ভীষণ জ্বরে কাতর হ’লে আমায় না হোক, আমার ছায়াটুকু ডেকো
আমার মতো করে তোমায়
ডাকলে কোনো নিঝুম দুপুর
“না” বোলো না- ধরে রেখো

রোববার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

You might like

About the Author: priyoshomoy