

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী :
হঠাৎ করে সারা বিশ্বে যখন করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করছিলো। ঠিক সে মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষের মাঝেও এক ধরণের আতংক বিরাজ করছে। বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতিনিয়ত কমবেশী মানুষ করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুবরন করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলেনের মাধ্যমে গ্রাম গঞ্জের অসহায় মানুষের পাশে থাকার জন্য মন্ত্রী, এমপি, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা দিলেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে তাদেরকে খুব একটা দেখা যায়নি।

কিন্তু চাঁদপুরের ব্যতিক্রম একজন ব্যাক্তিকে প্রতিনিয়ত সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেখা যায়।কখনো ত্রাণের বস্তা নিয়ে অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দিচ্ছেন। কখনো বাসা বাড়ীতে গিয়ে খাদ্য বিতরণ করছেন এবং নিজের মোবাইল নম্বরও দিয়ে আসছেন। কখনো হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে জনগণকে বাসার ভেতরে থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেলো তিনি শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এডভোকেট হেলাল হোসাইন।
যিনি সমাজ বিনির্মাণে আলোকবর্তিকার মত কাজ করে যাচ্ছেন নিরবে নিঃভৃতে। ইতিমধ্যে তার কর্মতৎপরতা সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল হোসাইন নিজে নজীরবিহীন সুশৃঙ্খলভাবে চাঁদপুর পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত ৮ নং ওয়ার্ডে নিজ অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। এটা তার জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি করোনা সংক্রমণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে, চাঁদপুরের কৃতি সন্তান শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি এমপি’র নির্দেশে নিজস্ব অর্থায়নে ২ বারে ১৮”শ অসহায়, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এছাড়াও সচেতনতা লিফলেট, ফেস্টুন, ঘনবসতি এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং, ২”শতাধিক দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।
তিনি ১৯৯০ সালে ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন, পর্যায়ক্রমে চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস কমিটিতে থেকে আহব্বায়ক পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব প্রধান, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক এবং সহ সভাপতি হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এক অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে হেলাল হোসাইন বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে অসহায়দের জন্য কাজ করতে চাই। দূর্দিনে জনগণের পাশে থাকুন, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সহযোগিতা করুন। দূর্দিনে জনগণের পাশে থাকলে এক সময় জনগণও আপনার পাশে দাঁড়াবে। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের এমন দূর্যোগকালে কিছু করার চেষ্টা করেছি। গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য সামান্য কিছু করতে পেরেছি, তাতে ভালো লাগছে। অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এ মানুষগুলোর পাশে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী থাকবো ইনশাল্লাহ।

তিনি আরো বলেন সবার সচেতনতামূলক মনোভাব ই পারে এ থেকে আমাদের রক্ষা পেতে। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকলকে এই মহামারী থেকে রক্ষা করেন।
উল্লেখ্য: রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাজেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, চাঁদপুর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য, চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য, নৃত্যাঙ্গন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহ-সভাপতি, পীর বাদশা মিয়া জামে মসজিদের সভাপতি এবং কিতাব উদ্দিন জামে মসজিদ নির্মাণ কমিটির সদস্য হিসেবে সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশের মন্ত্রী, এমপি, চেয়ারম্যান, সমাজসেবকরা, কাউন্সিলর প্রার্থী হেলাল হোসাইন এর মতো যদি পারিশ্রমিক হতেন তাহলে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হিসেবে লক্ষ্যে পৌছাতে সময়ের ব্যাপার ছিলো মাত্র।
ভবিষ্যৎ পথচলায় এই জনপ্রতিনিধি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।







