

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কামাত কাজলদীঘি এলাকায় নিজের জমিতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে বাধা প্রতিপক্ষের জোড় পূর্বক গাছ লাগানোর অভিযোগ দিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাছে।

উক্ত জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে ইতি পূর্বে নানা রকম অভিযোগ করে ১৪ টি মামলা দায়ের করেছেন জমির বাদী ও বিবাদী পক্ষরা। তবে স্বরজমিনে গিয়ে জানা যায় জমির মালিকানা দাবীদারগন নিজের ভাই ও ভগ্নিপতি বোন বলে জানাগেছে। অপর দিকে বড় ভাই জমির হোসেন (৩৩) ও তার দুলাভাই মোঃ আমজাদ হোসেন (৬৪) অভিযুক্ত ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে জবরদখল, মারধর, খুন-জখমের হুমকি এবং বড় ভাই ও দুলাভাইয়ের নামে একের পর এক ১৪টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বোদা উপজেলার ৪ নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বোতোলডাঙ্গা গ্রামে।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার আব্দুল হামিদের তিন ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে পৈতৃক সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ভাই মো. আবু জাফর (২৯) কৌশলে ও অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বাবার কাছ থেকে ২ একর ৭ শতক জমি নিয়মবহির্ভূতভাবে বেশি জমি দলিল করে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় পরবর্তীতে বাবা আবদুল হামিদ তার সন্তানদের মধ্যে তিন মেয়ে শিরিনা, রাবেয়া, শুমি সহ ওদের প্রত্যককে ৪৫ শতক করে এবং তার মেজ ছেলে জমির হোসেন কে ১ একর ১৯ শতক জমি একই দিনে একই দলিলে নতুন করে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। যাহার দলিল নাম্বার ৭৯০ ।
আবদুল হামিদ বড় ছেলে মৃত মোঃ জাকারিয়া তিনি মারা যাওয়ার পরে তার ৩ মেয়ে জান্নাতি, জুই, ও জুথি সহ আব্দুল হামিদেরএই নাতনি কে প্রত্যেক জনকে ৪২ শতক করে জমি দান করেন। এর পরে, জাকারিয়া স্ত্রী সাহেরা বেগম কে ১৬.৫০ জমি দান করেন । এর মধ্যে আবু জাফর নিয়ম অনুযায়ী বাপের সম্পত্তি পাওয়ার কথা ১ একর ১৯ শতক, কিন্তু তিনি ২ একর ৭ শতক জমি কৌশলে লিখে নেন। এরপর আমার সৎ মা হামিদা বেগম কে আমার বাবা ২ দলিলে ২ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এর পরে তার সৎমা হামিদা বেগমের কাছ থেকে বৈধ প্রক্রিয়ায় ১৬.৫০ শতক জমি ক্রয় করেন যার (দলিল নং- ৩০৩)। এবং ছোট ভাই আবু জাফর একই দলিল থেকে সমান পরিমাণ জমি ক্রয় করেন যার (দলিল নং- ৩০৪) এখন তার বড় ভাই জমির হোসেনের ১৬.৫০ শতক জমি জোরপূর্বক ওই জমিতে রাতের আঁধারে সুপারি গাছ লাগিয়ে জবরদখল করে নেন। এবং আমার নিজের মা জামিলা বেগম, ঐ এলাকার আব্দুল ছামাদ এর কাজ থেকে ২ বিঘা জমি ক্রয় করেন। সেই জমিও আমার ছোট ভাই জাফর একাই জরপুরক দখল করে খাচ্ছে। তার পর জমির হোসেন ও জাফর এর আপন দুলাভাই, রাবেয়া ও শুমি’র কাছ থেকে ৫৭ শতক জমি ক্রয় করেন। সেখানে ৩০ শতক জমি দখল দিয়ে বাকি ২৭ শতক জমি নদীতে দিখিয়ে দেন। বর্তমানে আমাদের রেকর্ডেয় জমিতে ৮৭৩ দাগে ২৭ শতক জমি দখল দিচ্ছেন না। উক্ত জমি নিয়ে যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ও আইন শৃঙখনা ভঙ্গ হওয়ার আশংকা করেছেন স্হানীয় এলাকাবাসী।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.














