জীবনে টাকা ধার দিয়ে আপনি কতোবার এ রকম গাধা হয়েছেন?

কথিকা : ক্ষুদীরাম দাস

টাকা ধার দেয়া, ধার নেয়ার প্রচলনটি আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। এটা মানুষ মানুষকে বিপদের সময় বা প্রয়োজনের টাকা ধার দিয়ে উপকার করে থাকে। অথবা নিজের প্রয়োজন হলে নির্ভরযোগ্য কোনো মানুষের কাছে টাকা ধার নিয়ে থাকে। সত্যিই যখন কাউকে আমি টাকা ধার দিই, তখন নিজের কাছে খুবই ভালো লাগে একারণে যে, আমি একজনের উপকার করতে পেরেছি।

মনে অন্যরকম প্রশান্তি অনুভূত হয়। এটা একে অপরের পাশে দাঁড়াতে বা উপকার করতে করে থাকে। এটা ভালো কাজ নি:সন্দেহে। তবে যখন ধার দেয়া টাকা ফেরত পেতে দেরি হয় বা চুক্তি অনুযায়ী সময় মতো ফেরত না পাওয়া যায় তখন খুবই খারাপ লাগে। তখন মনের মধ্যে তিক্ততা চলে আসে। এমন কিছু মানুষ রয়েছে, যারা বিপদের সময় কাকুতি মিনতি করে টাকা ধার দেয়। কিন্তু বিপদ শেষ হয়ে গেলে হাতে টাকা থাকা সত্যেও টাকা ফেরত দিতে চায় না। অন্যের আমানত নিয়ে ঘুরাঘুরি করে অন্যকে কষ্ট দিতে ওদের খুবই ভালো লাগে।

যে টাকা ধার নেয়, তার দায়বদ্ধতা বেশি হওয়া উচিত। ভিক্ষুকের মতো টাকা আপনার কাছ থেকে চাইতে হবে কেনো? কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে উল্টোটা হয়ে থাকে। সত্যিই বড় দু:খজনক যে, যে টাকা ধার দেয় সে তখন গাধা হয়ে যায়। আর যে টাকা ধার নেয় সে তখন মহারাজা হয়ে যায। জীবনে টাকা ধার দিয়ে আপনি কতোবার এ রকম গাধা হয়েছেন?

তখন কি আর ইচ্ছা করে মানুষকে টাকা ধার দিয়ে উপকার করতে? সত্যি সত্যি যে টাকা ধার দেয়, সে নিশ্চিত মহান ব্যক্তি! কিন্তু এমনও উদাহরণ রয়েছে যে, টাকা ধার দিয়ে জীবনেও সেই টাকা ফেরত পায়নি! আবার কেউ কেউ অন্যের কাছে টাকা ধার দিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে অন্যের আমানত আত্মসাৎ করেছেন-সেরকম উদাহরণও কম নয়। সুতরাং আমরা কি ধার দেয়া অথবা ধার নেয়ার বিষয়ে সাবধান হতে পারি না।

আমরা সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, প্রিয় সময় গুজব প্রচার করে না

০৪ অক্টোবর ২০২০ খ্রি. ১৯ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর ১৪৪২ হিজরি, রোববার

You might like