

চাঁদপুর প্রতিনিধি :
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নে তিন কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণ করে সর্বস্ব লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতা তিন কিশোরীকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১২অক্টোবর) ভোর রাতে চান্দ্রা ইউনিয়ন মদনা গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডের বরকন্দাজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তিন কিশোরী চান্দ্রা দক্ষিণ মদনা দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী।


ধর্ষিতা কিশোরীর মা খাদিজা বেগম জানান, দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় যাওয়ার কারণে সেই সুযোগে পাশের ঘরের বাচ্চু মিয়ার বখাটে ছেলে মিলন রবিবার রাতে ঘরে আসে। ওই সময় বখাটে মিলন কোকাকোলার ভিতরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাদেরকে খাওয়ার জন্যে জোর করে। ঘরে থাকায় তার দুই মেয়ে ও ভাসুরের মেয়েকে নেশাদ্রব্য কোকাকোলার সাথে মিশিয়ে খাইয়ে দেয়।
তারা অচেতন হয়ে পড়লে বখাটে মিলন সুযোগ বুঝে সোমবার ভোর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে সকালে পাশের বাড়ির লোকজন সিঁধ কাটা অবস্থায় দেখতে পেয়ে ভিতরে প্রবেশ করে অচেতন অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে। ওই সময় তাদেরকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনার পর পরই ধর্ষক মিলন এলাকা ছেড়ে গা ডাকা দিয়েছে।

এ বিষয়ে মিলনের বাবা জানান, মোবাইল চুরি করার উদ্দেশ্যে সিঁধ কেটে ঘরের ভিতরে ঢুকে এ ঘটনাটি করেছে। এই ঘটনার পরে মিলন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় তার শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চান্দ্রা ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড মহিলা মেম্বারের স্বামী বিল্লাল হোসেন হাসপাতালে এসে ধর্ষিতার মাকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাটি বাড়াবাড়ি না করে স্থানীয়ভাবে শালিশী বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করার জন্য বলেন।
এ বিষয়ে দালাল বিল্লাল হোসেন জানান, ঘরের ভিতরে ঢুকে মোবাইল চুরি করে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে এলাকায় বসে সমাধানের চেষ্টা করব। যদি না হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে এ ঘটনাটি যে করেছে সেই ধর্ষণকারী মিলনসহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সচেতন মহল।
আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, সঠিক সংবাদ পরিবেশনই আমাদের বৈশিষ্ট্য
১২ অক্টোবর ২০২০ খ্রি. ২৭ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪ সফর ১৪৪২ হিজরি, সোমবার









