

গোলাম নবী খোকনঃ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১০ নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এনায়েত নগর গ্রামে অবস্থিত জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির (ক) শাখার ছাত্রী রোল নং ৩৩ ইশরাত আরা বিপাশা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়।

সরজমিনে গিয়ে ঘটনার বিবরনে জানা যায়, স্কুল ছাত্রী ইসরাত আরা বিপাশা সুলতানাবাদ ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রামের মাতাঃ মনোয়ারা বেগম ও পিতাঃ দুবাই প্রবাসী সালাউদ্দিন (বাবুল) খলিফার এক মাত্র মেয়ে। তিনি সকাল সাড়ে আটটায় বাড়ি থেকে অটো বাইক যোগে বিদ্যালয় সম্মূখে বেড়ীবাঁধ সড়ক মোবারকের দোকানের সামনে নেমে তখন সময় আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিট। সড়ক ক্রস করার সময় একই দিক থেকে আসা অটো বাইক স্কুল ছাত্রী বিপাশাকে সজোড়ে ধাক্কা দিলে স্কুল ছাত্রী সড়কে লুটে পরে মারাত্ত্বক আহত হয়।
তার মাথায় ও মূখ মন্ডে রক্তাক্ত জখম হয়। মেয়েটিকে স্থানীয় লোকজন মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে দাউদ কান্দি বলদা খাল ডিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ খবর শোনে এলাকার জনসাধারণ ও স্কেলের শিক্ষার্থী বৃন জড়ো হয়ে উল্লাস করতে থাকে ও সড়কে বেড়ী কেট দিয়ে রাখে। মতলব উত্তর থানা পুলিশ সরজমিন এসে সড়কের বেড়ী কেট তুলে নিয়ে সরজমিন পরিদর্শন করেন ও নিহত স্কুল ছাত্রীর সুরুতহাল রির্পোট তৈরী করে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়।
মতলব উত্তর থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক ছানোয়ার, এসআই আলামিন, রনজিত, খোরশেদ আলম সহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। থানা পুলিশ জানান অটো বাইক টি উল্টে পরে বাইক চালক টিটু (২২) আহত আহত হয়। অটো চালকের গ্রামের বাড়ি একই উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ শীবপুর। তার বাবার নাম শ্রী বাদল, মাতাঃ বাচ্চু রানী। অটো বাইক চালক টিটু ও অটো বাইক টি পুলিশ হেফাজতে আছে
। এ দিকে নিহতের মা মনোয়ারা বাদি হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন। এর আয়ূ এসআই রনজিত। এ দিকে জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান তিনি দূঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ স্কুল ছাত্রী বিপাশা দূর্ঘটনায় নিহত হয়, তার লাশ আমরা বিনা ময়নাতদন্তে দাফন করার জন্য রেখে দিয়েছি, তার মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন। আমি আসামীর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করছি।







