অসংখ্য মামলার আসামি দম্পতি ফারুক-মাফিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিশেষ প্রতিনিধি  :  মতলব উত্তর থানার ব্রাক্ষনচক গ্রামের মধ্যপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল কাদের সরকার এর ছোট বেলা থেকে চুরি,ছিনতাই, প্রতারণা মানুষের সাথে করে আসছে, তার স্ত্রী মাফিয়া বেগম যার এ পর্যন্ত ছয়টি টি বিবাহ হওয়ার পর ফারুক চোরের সাথে সাতম বিবাহ হয়।

বিবাবাহের পর থেকে তারা এক সাথে চুরি ছিনতাই প্রতারণা দেহ ব্যবসা সহ অসংখ্য অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে আসছে এলাকায়, তারপর গ্রাম্য শালিশে তাদের গ্রাম থেকে বিতারিত করা হয়েছিল, তার ৬-৭ বছর পর ফারুক চোর তার বড়ো ভাই মোস্তফা সরকার এর কাছে এসে ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে আশ্রয় চায়, এবং তার স্ত্রী মাফিয়া বলে ভাই আমাদেরতো আর যায়গা সম্পাদ নাই আগেই সব বিক্রি করে দিয়েছি, আমরা ভালো হয়ে গিয়েছি শেষবারের মতো বিশ্বাস করেন।বড়ো ভাই মোস্তফা সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে গ্রামের লোকজন এর বাধা সত্বেও জায়গা দেয়।কিছু দিন তারা ভালো হওয়ার নাটক করলেও, আবার তারা অপকর্মে লিপ্ত হয়,তার দুই ছেলে মাহফুজ এবং ফয়সাল ছিনতাই, প্রতারণা, চুরি সহ এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

তারা একাধিক বার জেল খেটেছে মাদক মামলায় অভিযুক্ত হয়েও।গ্রামের মানুষ এখন তাদের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হাজারো বিচার গ্রামে হয়েছে তাদের কোন পরিবর্তন নাই, এবিষয়ে গ্রামের মেম্বার দুলালের সাথে কথা বললে তিনি বলেন।

কিছু অসাধু দুইএকজন তাদের মদদ দেয় তাদেরকেও সমাজ বাসি চিন্নিত করে তাদের ব্যাপারেও আমরা ব্যাবস্থা নিবো,এই পরিবারের অপকর্মে আমরা অতিষ্ঠ এরা সকল সম্পদ বিক্রি করে চলে গিয়ে ছিলো তখন গ্রামটা চুরি, প্রতারণা থেকে শান্তিতে ছিলো।

প্রতারকদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শহিদ হোসেনের সাথে মোঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমরা গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নিচ্ছি সহসাই গ্রেপ্তার করবো। মতলব উত্তর থানার নন এফ আই আর নং০৮/ ২০২৪ ইং ধারা ৩২৩/৫০৬(২) পেনাল কোড।

You might like