

প্রিয় সময় ডেস্ক :
মুফতি মুহিব্বুল্লাহ নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন, তবে এর পেছনে কোনো সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য বা কারণ তিনি প্রকাশ করেননি।

ঘটনার বিস্তারিত অনুসারে:
– গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী (৬০) সম্প্রতি নিখোঁজ হন বলে দাবি করা হয়। পরে জানা যায়, তিনি নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে পঞ্চগড়ে গিয়েছিলেন এবং অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।
– আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ফেসবুক লাইভে তিনি সরাসরি ফোনে যুক্ত হয়ে বলেন, “আমি নিজেই গিয়েছি, কেউ আমাকে অপহরণ করেনি।” তার মেয়ে ও ছেলে—দুজনেই লাইভে জানান, তিনি নিজের ইচ্ছায় সবকিছু করেছেন।
– ঘটনার বর্ণনায় মুহিব্বুল্লাহ বলেন, তিনি হাঁটতে বের হয়ে বিভিন্ন জায়গায় যান—মীরের বাজার, জয়দেবপুর, গাবতলী হয়ে পঞ্চগড়। তিনি বলেন, “মনে চাইল আমি যাই,” এবং “আমি জানি না কোথায় যাচ্ছি, শুধু হাঁটতেছিলাম”।
এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তার মানসিক অবস্থায় কোনো অস্থিরতা বা আত্মবিশ্বাসহীনতা কাজ করছিল, অথবা তিনি কোনো ব্যক্তিগত বা সামাজিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক, পারিবারিক, বা ধর্মীয় কারণ উল্লেখ করেননি।
এটি নিছক এক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল, যা পরে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পুলিশ এবং স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়, এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
সম্ভাব্য কারণসমূহ (যদিও তিনি সরাসরি বলেননি)
• মানসিক চাপ বা আত্মিক অস্থিরতা: তার কথায় “মনে চাইল আমি যাই”—এটি ইঙ্গিত করে তিনি হয়তো কোনো চাপ থেকে মুক্তি চেয়েছেন।
• পারিবারিক বা সামাজিক বিরক্তি: তিনি পরিবারের কাউকে না জানিয়ে চলে যান, যা ইঙ্গিত করে তিনি হয়তো কিছু এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন।
• ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত আত্মসমীক্ষা: একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি হয়তো একাকীত্বে সময় কাটাতে চেয়েছেন আত্মজিজ্ঞাসার জন্য।
জনমনে প্রতিক্রিয়া
• তার নিখোঁজ হওয়ার খবরে স্থানীয় মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষ উদ্বিগ্ন হন।
• পুলিশ ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়, যা পরে বিভ্রান্তিতে রূপ নেয়।
তিনি যা বলেন
• “আমি জানি না কোথায় যাচ্ছি, শুধু হাঁটতেছিলাম।”
• “আমি কোনো হোটেলে থাকিনি, রাস্তায় ছিলাম।”
মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫












