

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট বাজারে শারমিন ফিলিং স্টেশনে ছেঁড়া ও কস্টিব লাগানো টাকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ক্রেতার সঙ্গে ক্যাশ কাউন্টারে থাকা ব্যক্তির সাথে হট্টগোলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিয়মিত ক্রেতাদের সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে নোটের মান যাচাই এবং গ্রাহকসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাবুরহাট গাজী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার গাজী এ অভিযোগ করেন। তিনি জানান, ওইদিন শারমিন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে গেলে ক্যাশ কাউন্টার থেকে তাকে একটি ছেঁড়া ও কস্টিব লাগানো নোট দেওয়া হয়। নোটটি গ্রহণে আপত্তি জানালে ক্যাশ কাউন্টারে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
আনোয়ার গাজী বলেন, “আমি প্রতি মাসে শারমিন ফিলিং স্টেশন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার তেল ক্রয় করি। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ক্রেতা হিসেবে এখান থেকে তেল কিনে আসছি। কিন্তু তেল কেনার পর ক্যাশ কাউন্টার থেকে ছেঁড়া ও কস্টিব লাগানো টাকা দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে তারা আপত্তি জানান, এ সময় ক্যাশ কাউন্টারে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে হট্টগোল হয়।”
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করা এবং ভালো মানের নোট প্রদান করা প্রয়োজন না। বিশেষ করে নিয়মিত ও বড় অঙ্কের লেনদেনকারী গ্রাহকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মতে, জ্বালানি তেল বিক্রয়কেন্দ্রে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের লেনদেন হয়। সেখানে ক্যাশ কাউন্টারে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। ছেঁড়া বা কস্টিব লাগানো নোট নিয়ে কোনো আপত্তি উঠলে তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা উচিত। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শারমিন ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬














