

সজীব হাসান, বগুড়া প্রতিনিধি :
বগুড়ার সান্তাহার স্টেশন রোডের আবাসিক হোটেলেগুলোতে অবাধে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। এ অবৈধ কর্মকা-ে এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে নষ্ট হলেও প্রশাসন নিরব। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খদ্দেরদের কাছ থেকে পুলিশের ভয়ভীতি দেখিয়ে এ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত চক্র মোবাইল, নগদ টাকা-পয়সা, এমনকি বিকাশের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। এতে সহযোগিতা করে থাকে আবাসিক হোটেলের কতিপয় মালিক।

লোকলজ্জার ভয়ে ওইসব খদ্দেররা বাধ্য হয়ে মোবাইল ও টাকা-পয়সা ওই চক্রের সদস্যের হাতে তুলে দিয়ে খালি হাতে বাড়ি ফেরে। অসামাজিক কর্মকা-ে হোটেল মালিকদের সাথে স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশের সখ্য থাকায় পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ। পুলিশের এমন নিরবতা নিয়ে স্থানীয় হোটেল রেস্তোরাঁয়, চায়ের দোকানে চলে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এলাকাবাসী মাঝে-মধ্যে আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত নারী ও খদ্দেরদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেয়া হয়। তবে হোটেল মালিকদের সাথে সখ্য থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আইনে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। এসব আবাসিক হোটেলের সরকারি কোনো অনুমোদনও নেই।
সান্তাহার শহরের একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, শহরের রেলওয়ের টিকিট কাউন্টারের পশ্চিম পার্শ্বের আবাসিক হোটেলগুলোতে দীর্ঘ দিন ধরে দিনরাত অসামাজিক কার্যকলাপ (দেহব্যবসা) চলছে। স্থানীয় ফাঁড়ির পুলিশ এ বিষয়ে অবগত থাকার পরও পুলিশ রহস্যজনক নিরবতা পালন করে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ ব্যাপারে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ফরিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা হোটেল মালিকদের এসবের ব্যাপারে নিষেধ করেছি এবং হোটেলে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই। সঠিক সংবাদ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬














