

হত্যার পর বিক্রি করা হয়েছিল রাকার দুল পুলিশের অভিযানে উদ্ধার গ্রেপ্তার স্বর্ণ ব্যবসায়ী
সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘী উপজেলার সান্তাহারের আলোচিত শিশু রাকা (৭) হত্যা মামলায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর বিক্রি করা রাকার এক জোড়া কানের দুল উদ্ধার করেছে আদমদীঘী থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় দুল ক্রয়ের অভিযোগে একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সান্তাহার কালীমন্দির সংলগ্ন ‘মিতা জুয়েলার্স’ এ বিশেষ অভিযান চালায় আদমদীঘী থানা পুলিশ। অভিযানে দোকানের মালিক মো. ফজলুর রহমান (৫৫),গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ফজলুর রহমান উপজেলার পৌর শহরের মালশন গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার ছেলে। তদন্তে উঠে আসে, হত্যা মামলার ২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি বন্যা আক্তার (৩৫) শিশু রাকিকাকে হত্যার পর তার কানের এক জোড়া দুল মিতা জুয়েলার্সের মালিক ফজলুর রহমানের কাছে বিক্রি করেন।
এর আগে বন্যা আক্তার বগুড়ার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। গ্রেপ্তারের পর ফজলুর রহমানও বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন। তিনি আদালতের কাছে রাকার কানের দুল ক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, সান্তাহারের সাহেবপাড়ার শিশু রাকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে আদমদীঘী থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে আদমদীঘী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, “মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

















