

সজীব হাসান (বগুড়া) প্রতিনিধি:
এবার চলন্ত ট্রেনে এক নারী যাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে ভিকটিম ৯৯৯ কল করে বিষয়টি জানালে ট্রেনে ডিউটিরত পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

এব্যাপারে ভিকটিম বাদি হয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। মামলা বিবরনে জানাযায়,সোমবার রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে সিমা বেগম (৪৪) নামের এক নারী যাত্রী উঠেন। এসময় ওই ট্রেনের ক্যান্টিনের বয় আব্দুল কুদ্দুস (২২) তাকে ক্যান্টিনের সিটে বসার ব্যবস্থা করে দেন।
একপর্যায়ে ট্রেনটি নাটোর রেল স্টেশন থেকে ছাড়ার পর ক্যান্টিনের বয় কুদ্দুস নারী যাত্রী সিমা বেগমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ভিকটিম ৯৯৯ কল করে বিষয়টি জানালে সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের নির্দেশে ওই ট্রেনে ডিউটিরত পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
ধর্ষিত নারী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক কোববাদ দাস পাড়ার সোহরাব হোসেনের মেয়ে। ধর্ষক আব্দুল কুদ্দুস নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুরের মৃত মাসুদ রানার ছেলে বলে জানা গাছে। এব্যাপারে ভিকটিম বাদি হয়ে ধর্ষকের বিরুদ্ধে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষণের সময় ওই ট্রেনে ডিউটিরত দুই পুলিশ ও তাকে শারীরিক লাঞ্চিত করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এঘটনায় পুলিশ জারিত থাকার বিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ও সি দুলাল উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন পুলিশের জরিত থাকার ব্যাপারটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। যদি প্রমাণিত হয় তাহলে পুলিশের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
এব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে পাকশি রেলওয়ে জেলা পুলিশের এসপি সার্কেল আলম হোসেন সান্তাহার রেলওয়ে থানা পরিদর্শন করেছেন।
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

















