

সজীব খান :
চাঁদপুর মতলব দক্ষিন উপজেলার ৫নং উপাদী উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান পরিষদ ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটির বিভিন্ন অংশের অবস্থা নাজুক হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই ইউনিয়ন পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় পরিষদে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বহরি বাজার এলাকায় অবস্থিত বর্তমান স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে পুরোনো কাঠামোর কারণে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পরিষদের কার্যক্রম চলাকালীন প্রতিদিনই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে যাতায়াত করেন। ফলে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার কে নেবে—এমন প্রশ্নও তুলেছেন স্থানীয়রা।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব কিছু সম্পত্তি বেদখলে রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পরিষদের সম্পত্তিগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিষদের ভবনের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে সাধারণ মানুষের সরকারি সেবা পাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্রসহ নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন মানুষ পরিষদে আসেন। কিন্তু ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ভবনটি সংস্কারের উপযোগী না হলে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি পরিষদের বেদখল হয়ে থাকা সম্পত্তি উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
৫নং উপাদী উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ প্রধানীয় বলেন, কয়েকবার অফিস করার সময় মাথার উপজের ছাদ থেকে খশা পড়েছে, হাত ভাংছে ,মোবাইল ফাটছে,অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বছরের পরপর বছর সেবা প্রদান করে আসছে, পরিষদে আগত সেবা প্রত্যাশীরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে সেবা নিচ্ছে। পরিষদের ১৫ শতাংশ সম্পত্তি, প্রায় ছয় থেকে সাত শতাংশ সম্পত্তি এখনো বেদখলে রয়েছে। এক কথায় বলা যায় আমরা পরিত্যক্ত ভবনেই সেবা প্রদান করে আসছি।
প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.














