ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা, লজ্জায়-অপমানে কিশোরীর আত্মহত্যা

 

রংপুর প্রতিনিধি :
রংপুরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেশী কলেছাত্র সুজিত দীর্ঘদিন তাকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে লজ্জায়-অপমানে মেয়েটি আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। কিন্তু মামলা হলেও অভিযুক্ত সুজিত গ্রেফতার না হওয়ায় খুলছে না রহস্যের জট।

জীবিকার প্রয়োজনে বাবা-মা ঢাকায় থাকায় রংপুর নগরীর মনোহর বাবুপাড়ায় চাচার বাড়িতে থাকতো সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা। গত শনিবার দুপুরে ঘরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। ওই ঘরেই পাওয়া যায় প্রতিবেশী কলেজছাত্র সুজিতের মোবাইল ফোন। ওইদিন থেকে সুজিত পলাতক।

শনিবার রাতেই পূর্ণিমার বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের পর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা করেন। ময়নাতদন্তের পর রোববার মরদেহের সৎকার করা হয়। ঘটনার চারদিন পেরুলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা গেছে পূর্ণিমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

পূর্ণিমার মা জানান, আমার মেয়ের মতো আরও অনেক মেয়ে আছে; এটা বিচার না হলেও এরকম ঘটনা আরও ঘটবে।

সুরতহাল রিপোর্টে পূর্ণিমাকে ধর্ষণের আলামত পেয়েছে পুলিশ। তাদের ধারণা দীর্ঘদিন ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত সুজিতের প্ররোচণায় আত্মহত্যা করে মেয়েটি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলম, এটা খুবই স্পর্শকাতর মামলা। যাকে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না। এখানে আলামতে বিষয় আছে; তদন্ত করে অভিযুক্ত করে বের করতে হবে।

পূর্ণিমার ব্যবহৃত একটি ডায়েরিতে প্রেম-ভালোবাসা উক্তির নিচে ইংরেজি অক্ষরে পি ও এস লেখা পাওয়া যায়। অভিযুক্ত সুজিতের বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়নি।

You might like