

কথিকা : ক্ষুদীরাম দাস
দুষ্ট হঠাৎ ভালো মানুষ সেজে গেলে বুঝতে হবে সেটা সন্দেহজনক। তার অন্য কোনো ফন্দী রয়েছে। কেননা তার চরিত্রে তো দুষ্টতাই রয়েছে। যদি সে অনুনয় বিনয় করেও ক্ষমা চায়, তবুও তাকে বিশ^াস করাটা মহাভুল হবে। যে ভুল থেকে রক্ষা পাওয়া হয়তো হবে না কোনোদিনও। যারা দুষ্ট লোককে চেনার পর তাকে বিশ^াস করেছে তারা সকলেই ঠকেছে দারুণভাবে। সুতরাং দুষ্টকে কখনো বিশ^াস করাটা সম্পূর্ণ বোকামীই হবে।

আমরা অনেক সময় দুষ্টলোককে বিশ^াস করি। তার অভিনয় ও ভঙ্গিমায় মনে হবে যে তার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। তখন দীর্ঘদিন তার চলাফেরা লক্ষ্য করতে হবে। অন্যথায় হঠাৎই যদি দুষ্টকে বিশ^াস করে তাকে আপন করে নেয়া হয়, তাহলে বিরাট ক্ষতির সম্ভাবনা হতে পারে। তার চালাকির জালে আটকে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা দুষ্টকে খুব সহজে বিশ^াস করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
দুষ্টকে সবসময় সন্দেহের চোখে দেখা উচিত। তাকে সবসময় দূরে রাখতে হবে; অথবা তার থেকে নিজেই দূরে থাকতে হবে। যদি এমন হয় যে, সে খুব নিকট আত্মীয়; তবুও তার সঙ্গ ত্যাগ করা উচিত। জীবন রক্ষার জন্যে তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখা বুদ্ধিমানেরই কাজ হবে। সুতরাং দুষ্ট থেকে দূরে থাকুন।









