টাকা দিলেই অবৈধ জাল হয় বৈধ : নেছারাবাদে নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে জেলেদের কাছ থেকে চাদা তোলার অভিযোগ

স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি:

নেছারাবাদে নৌপুলিশের বিরুদ্ধে জেলেদের কাছ থেকে মাসোয়ারা টাকা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নেছারাবাদ নৌপুলিশের দুইজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জেলেদের কাছ থেকে মাসিক এক হাজার টাকা কালেকশন করার এ অভিযোগ। টাকা তোলার কাজে উপজেলার গনমান গ্রামের মো: সোহাগ নামে জনৈক এক লোক সহ তাদের একাধিক মনোনীত লোক ব্যবহার করে ওই টাকা তুলছেন। বেড়জাল,কারেন্ট জাল,বাধজাল পাতলেই তার বিপরীতে তারা জেলে প্রতি এক হাজার করে টাকা তুলছেন।

টাকা না দিলেই ওই জেলের নৌকা ও জাল আটক করে জেল জরিমানার ব্যবস্থা করছেন। জেলেদের দাবি যারা কারেন্ট জাল সহ অবৈধ জাল পেতে মাছ ধরছেন তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্তা করা হোক।

তবে, আমরা যারা নদীতে সূতার জাল সহ বৈধ জাল পাতছি তাদেরও হয়রানি করে চাদা তুলছেন নৌপুলিশের জয়নাল,জসিম। সম্প্রতি জয়নাল বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেলে নৌপুলিশের জসিম টাকা নিচ্ছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নৌপুলিশের ওসি বিকাশ চন্দ্র দে বলেছেন, কাজ করতে গেলে যাদের খারাপ লাগে তারা এ অভিযোগ ছড়াচ্ছে।

উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি গ্রামের বাসিন্দা জেলে মো: রুবেল মিয়া অভিযোগ, করেন, তিনি নদীতে সূতার জাল ফেলে মাছ ধরেন। দেড় মাস পূর্বে নৌপুলিশের ওসি বিকাশ চন্দ্র দে, এ,এস আই জসিম তার নৌকাটি আটক করে তার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি অনেক কষ্টে ধারদেনা করে তাদের চার হাজার টাকা দিয়েছেন। এখন তারা মাসে মাসে চাদা দাবি করছে।

কামারকাঠি গ্রামের ফিরোজ শেখ নামে অপর এক জেলে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কামারকাঠি গ্রামের যেসব জেলেরা কারেন্টজাল,বেদজাল বেয়ে থাকেন তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার করে নিচ্ছেন নেছারাবাদের নৌপুলিশের জসিম। ঘনমান গ্রামের মো: বজলুল হকের ছেলে মো: সোহাগ এর মাধ্যমে তারা এ টাকা তুলছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা অবৈধ জাল বায় তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। তবে আমরা যারা নিষিদ্ধ সময় বাদে নদীতে সুতার জাল বাই আমাদের কাছ থেকে কেন চাদা চাওয়া হচ্ছে। তাদের চাদা না দিলেই আইনের নানা অযুহাত দেখিয়ে আমাদের হয়রানি করছে নৌপুলিশের জসিম।

অভিযোগের বিষয়ে নেছারাবাদ নৌপুলিশের এস,আই মো: জসিম বলেন আমি কারো কাছে টাকা নিচ্ছিনা। গত চারমাস যাবত আমরা কোন অভিযানে নামিনি। এখন পুলিশের একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তাই জেলেরা যা ইচ্ছে তাই বলছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নেছারাবাদ নৌপুলিশের ওসি বিকাশ চন্দ্র দে বলেন, কাজ করতে গেলে অনেকে অনেকে অনেক কিছু বলে। এতে করার কি আছে। তাছাড়া জেলেদের কাছ থেকে চাদা তোলার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

নেছারাবাদ উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কাউখালি উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো: হাফিজুর রহমান বলেন, জেলেদের কাছ থেকে নৌপুলিশের চাদাবাজির অভিযোগটি আমি শুনেছি। এর কোন উপযুক্ত প্রমান না পেলে কি করা যায়। তাছাড়া বিষয়টি ইউএনও মহোদয়ের কাছে জানালে ভাল হয়।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মনিরুজ্জামান জানান, “কিছু দিন পূর্বে জেলেরা নৌপুলিশের বিষয়ে একটা অভিযোগ নিয়ে আসছিল। আমরা নৌপুলিশের ফাড়ি ইনচার্জকে ডেকে হুশিয়ারি করে দিয়েছি। এখন আরো অভিযোগ আসলে তদন্ত করে দেখা হবে”

সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায় কি?

You might like