

এনামুল হক, ত্রিশাল( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের ত্রিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে দরিরামপুর বাসষ্টেন্ডে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর প্রথমে বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ময়মনসিংহ -৭ ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা: মাহবুবুর রহমান লিটন, পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরাফাত সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার ভূমি মাহবুবুর রহমান, ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ হোসেন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

এ সময় উপজেলা ও পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে সকাল ৮টায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার বাহিনীসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এ ছাড়াও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার প্রধানঅতিথি বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা: মাহাবুবুর রহমান লিটন বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ২৬শে মার্চ আর স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। এই তিনটা বিষয়কে কখনও আলাদা করা যাবেনা। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তেমনি তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানও করতেন তারই ধারাবাহিকতায় তিন তিন বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত ধরেই মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মুক্তিযোদ্ধাদের দল। অনেক ধন্যবাদ জানায় বাংলাদেশের তারুণ্যের অহংকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে, কারন আমরা আজ স্বাধীন ভাবে আমাদের মতামত প্রকাশ করতে পাচ্ছি।
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ খ্রি.
















