

রফিকুল ইসলাম, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার মধ্য গোবিন্দপুর গ্রামে অসহায় নিরীহ দরিদ্র মৃত ইমান আলীর স্ত্রী রাবেয় বেগম থানার এস আই খালিদ শেখের (আইডি নং ৯৬৫০৪৫৯০৯১) বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
গত শনিবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রাবেয়া বেগম জানান, পার্শ্ববর্তী বাড়ীর জমি সংক্রান্ত বিরোধে মারামারির ঘটনায় সোহাগ মিয়া বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী সাগর মিয়াকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় রাবেয়ার পুত্র সাগর মিয়াকে গ্রেফতার করে মোটা অংকের টাকা দাবী করে।

দরিদ্র রাবেয়া টাকা দিতে না পারায় মৃত ইসরাহিলের কন্য তায়েবা আক্তার জখমী হলেও মারাত্মক গুরুতর জখম হয়নি। সাগর মিয়াকে ফাসানোর উদ্দেশ্যে তায়েবা আক্তারের মেডিকেল সার্টিফিকেটের স্থলে সিমা আক্তারের নামে ডাক্তারের স্বাক্ষর ছাড়া একটি সিটিস্ক্যান রির্পোট সংযুক্ত করিয়া চার্জশীট তৈরী করে আদালতে দেয়। ফলে সাগর মিয়াকে ১ মাস ৮ দিন জেল হাজতে থাকতে হয়েছে। যা ঘটনার সাথে সিটিস্ক্যান রির্পোটের তারিখের কোন মিল নেই। এস আই খালিদ শেখ এ মামলার চার্জশীট রির্পোটে উল্লেখ করেন যে, তায়েবা ও সীমা আক্তার একই ব্যক্তি।
কিন্তু বাস্তবে দুজনের জন্ম নিবন্ধন পর্যালোচনা করে দেখা যায় দু’জনের জন্ম তায়েবা ও সীমা দুজন দুই গ্রামের বাসিন্দা এবং জন্ম তারিখও মিল নেই। এ ব্যাপারে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর জিহাদ পাঠান অনলাইন সার্চ দিয়ে জানান তায়েবা আক্তার ও সীমা আক্তারের মধ্যে জন্ম সনদে কোন মিল না থাকায় দু’জন একই ব্যক্তি নয়।
অভিযোগকারী পরিবারের সদস্য প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা সংবাদ সম্মেলনে জানান এস আই খালিদ শেখ একজন অসাধু ঘোষখোর দুনীতিপরায়ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের নিকট থেকে নানাভাবে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। পুলিশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললেই প্রতিবাদকারীকে মাদকসহ বিভিন্ন মামলার মিথ্যা আসামী করে হয়রানীর স্বাীকার হতে হয়।
এ বিষয়ে রাবেয়া বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার নিকট অভিযোগ দায়ের করেছে। যা হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জকেও অবগত করানো হয়েছে বলে তারা জানান। বিধবা রাবেয়া বেগম দুনীতিবাজ পুলিশ অফিসার খালিদ শেখের বিচার দাবী করেন।
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ খ্রি.
















