স্ক্রিনের ভেতর শৈশব—মুঠোফোন কি ধ্বংসের অস্ত্র, নাকি জ্ঞানের জানালা?

তথ্য প্রযুক্তি কণ্ঠ ডেস্ক :
রাত ১১টা। গাজীপুরের টঙ্গীর একটি এক কামরার ঘরে ছয় বছরের মাইশা মায়ের পাশে শুয়ে আছে। কিন্তু ঘুম নেই চোখে। তার চোখ আটকে আছে মুঠোফোনের স্ক্রিনে, ইউটিউবে চলছে ‘জোরে জোরে গাড়ি যায়’। পাশের ঘরে ক্লাস নাইনে পড়া সিয়াম একই সময়ে ফ্রি ফায়ার গেমে বন্ধুদের সঙ্গে ‘ব্যাটল রয়্যাল’ খেলছে। দুই ভাইবোনের কেউই জানে না, ১৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অস্ট্রেলিয়া তাদের বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করেছে।

১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠিক এই প্রসঙ্গটাই তুলেছেন: ‘অস্ট্রেলিয়া একটা উন্নত দেশ। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যান করে দিয়েছে তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য। কেন? কারণ সোশ্যাল মিডিয়া সব সময় ভালো জিনিসকে নিয়ে আসে না। আমাদের এখানে এই প্রভাবটা খুব বেশি পড়েছে।’

মন্ত্রীর এই বক্তব্য নতুন এক বিতর্ক উসকে দিয়েছে: বাংলাদেশের শিশুদের হাতের মুঠোফোন কি তাদের মেধা-মনন গড়ছে, নাকি নিঃশব্দে ধ্বংস করছে? উত্তরটা সাদা-কালো নয়। এর পরতে পরতে জড়িয়ে আছে প্রযুক্তি, অভিভাবকত্ব, শিক্ষাব্যবস্থা আর রাষ্ট্রের দায়।

 শৈশব এখন স্ক্রিনবন্দি :

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের হিসাব বলছে, দেশে সক্রিয় মোবাইল সংযোগ ১৯ কোটির বেশি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১৩ কোটি ছাড়িয়েছে। কিন্তু চমকে দেওয়ার মতো তথ্য দিচ্ছে ইউনিসেফ ও বিআইডিএসের যৌথ জরিপ: শহরের ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের ৬৮% প্রতিদিন গড়ে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট স্ক্রিনে কাটায়। গ্রামে এই হার ৪১%, তবে দ্রুত বাড়ছে।

করোনাকাল এই প্রবণতায় ‘অনুঘটক’ হিসেবে কাজ করেছে। অনলাইন ক্লাসের অজুহাতে হাতে উঠেছে স্মার্টফোন। স্কুল খুলেছে, কিন্তু ফোন আর হাত থেকে নামেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম বলছেন, ‘আগে শিশুরা কাঁদলে মা চাঁদ দেখাতেন। এখন হাতে ধরিয়ে দেন ফোন। এটা ‘ডিজিটাল চুষনী’ হয়ে গেছে। ২ বছরের বাচ্চাও এখন ইউটিউব কিডস ছাড়া খায় না।’

কী দেখছে ওরা?
১. ইউটিউব ও রিলস: ৫-১০ বছর বয়সীদের ৮০% সময় কাটে কার্টুন, আনবক্সিং ভিডিও আর ‘ফানি’ শর্টস দেখে।
2. গেম: ফ্রি ফায়ার, পাবজি, রোব্লক্স। ১০-১৬ বছর বয়সীদের মধ্যে ৫৭% দৈনিক ১ ঘণ্টার বেশি গেম খেলে।
3. টিকটক লাইকি: নিষিদ্ধ হলেও ভিপিএন দিয়ে চলে। নাচ, লিপসিংক আর ‘ক্রাশ কনটেন্ট’।
4. শিক্ষামূলক অ্যাপ: মাত্র ১২% শিশু নিয়মিত শিখন অ্যাপ ব্যবহার করে।

ধ্বংসের যে আলামত

১. মস্তিষ্কের গঠন বদলে যাচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের ‘ABCD Study’ বলছে, দিনে ৭ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করা শিশুদের মস্তিষ্কের কর্টেক্স পাতলা হয়ে যাচ্ছে। ফলে মনোযোগ, স্মৃতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিকাশ কেন্দ্রের তথ্য: ২০২৩ সালে ‘স্পিচ ডিলে’ নিয়ে আসা শিশুর সংখ্যা ছিল মাসে ৪০ জন, ২০২৫ সালে সেটা ১১০ জন। কারণ? ‘অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, কম মানবিক ইন্টারঅ্যাকশন’।

২. ঘুম ও মেজাজ
নীল আলো মেলাটোনিন হরমোন কমিয়ে দেয়। ফলে শিশুদের ঘুম দেরিতে আসে, খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয়। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের শিশু নিউরোলজিস্ট ডা. নাজনীন আক্তার বলেন, ‘আমার কাছে সপ্তাহে অন্তত ১৫টি কেস আসে যেখানে বাচ্চা রাত ২টা পর্যন্ত ফোন দেখে, সকালে স্কুলে যেতে চায় না, বকা দিলে জিনিস ভাঙচুর করে। এটা ‘উইথড্রয়াল সিনড্রোম’।’

৩. শরীর ও চোখ
চাইল্ড আই কনসোর্টিয়াম অব বাংলাদেশের ২০২৫ সালের স্ক্রিনিং বলছে, ঢাকার স্কুলগামী শিশুদের ৩৪% মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। ৫ বছর আগে ছিল ১৯%। বাইরে খেলাধুলা কমে যাওয়ায় শৈশবকালীন স্থূলতাও বাড়ছে। বিএসএমইউয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ জানায়, ১০-১৫ বছর বয়সীদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তিনগুণ বেড়েছে।

৪. সাইবার ঝুঁকি ও মানসিক স্বাস্থ্য
সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রিডেটর, আত্মহানিমূলক ‘চ্যালেঞ্জ’—সবই এখন বাংলাদেশের শিশুদের নাগালে। সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের তথ্য: ২০২৫ সালে ১৩-১৭ বছর বয়সী ২২% কিশোর-কিশোরী অনলাইনে হ্যারাসমেন্টের শিকার হয়েছে। টিকটক-রিলসের ‘পারফেক্ট লাইফ’ দেখে তৈরি হচ্ছে হীনম্মন্যতা, ডিপ্রেশন, এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতা।

৫. ভাষা ও সামাজিক দক্ষতার সংকট
৩ বছরের তুবা ইংরেজি রাইমস বলতে পারে, কিন্তু ‘আম্মু, পানি দাও’ বলতে পারে না। কারণ সে ইউটিউবের সঙ্গে বড় হচ্ছে, মানুষের সঙ্গে নয়। শিশু একাডেমির গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারকারী শিশুদের ৪৩% ‘আই কন্টাক্ট’ করতে চায় না, গল্প শুনতে ধৈর্য রাখে না।

মুদ্রার অন্য পিঠ—ফোন যখন স্কুল

সব দোষ ফোনের ঘাড়ে চাপালে অন্যায় হবে। গ্রামের স্কুলে শিক্ষক নেই, কিন্তু ইউটিউবে ‘টেন মিনিট স্কুল’ আছে। বাবা প্রবাসী, কিন্তু ইমোতে প্রতিদিন মুখ দেখা যায়। কুমিল্লার মেঘনার পারুল আক্তারের মেয়ে ক্লাস ফাইভে পড়ে। স্কুলে বিজ্ঞানাগার নেই। সে মোবাইলে ‘ফিউশন সায়েন্স’ চ্যানেল দেখে নিজেই বানিয়েছে ভলকানো মডেল, উপজেলা বিজ্ঞান মেলায় প্রথম হয়েছে।

শিখনের জানালাগুলো:
– ভাষা ও কোডিং: ডুয়োলিঙ্গো, স্ক্র্যাচ জুনিয়র দিয়ে ৮-৯ বছরের শিশুরাও প্রোগ্রামিং শিখছে।
– বিশ্বকে জানা: গুগল আর্থে বসে সুন্দরবন থেকে সুইস আল্পস ঘুরে আসছে।
– সৃজনশীলতা: ‘স্টপ মোশন স্টুডিও’ অ্যাপ দিয়ে নিজের কার্টুন বানাচ্ছে ক্লাস সিক্সের শিশুরা।
– বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু: অটিজম আক্রান্ত শিশুদের জন্য ‘অ্যাভাজ’, ‘প্রো লোকুয়ো’ অ্যাপ কমিউনিকেশন সহজ করেছে।

ঢাকার বনশ্রীর একটি বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সালমা নাসরিন বলেন, ‘আমরা সপ্তাহে একদিন ‘ডিজিটাল ডে’ করি। বাচ্চারা গ্রুপে ক্যানভা দিয়ে পোস্টার বানায়, কুইজলেটে পড়া রিভাইস দেয়। ফোন কেড়ে নেওয়া সমাধান না, ব্যবহার শেখানো সমাধান।’

অস্ট্রেলিয়া যা পারল, আমরা কেন পারছি না?

অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের নভেম্বরে ‘অনলাইন সেফটি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’ পাস করে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট নিষিদ্ধ করেছে। প্ল্যাটফর্মগুলোকে বয়স যাচাই করতে হবে, ব্যর্থ হলে ৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানা। যুক্তি: শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা, আসক্তি ও বুলিং ঠেকানো।

বাংলাদেশে কী অবস্থা? আমাদের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০২৩’ এ শিশুদের সুরক্ষার কথা আছে, কিন্তু বয়সভিত্তিক অ্যাকসেস কন্ট্রোল নেই। বিটিআরসি মাঝে মাঝে টিকটক, পাবজি বন্ধ করে, আবার খুলে দেয়। কারণ বাস্তবতা হলো, ভিপিএন দিয়ে সবই চলে। অভিভাবকরাই সন্তানের নামে আইডি খুলে দেন।

প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার মতো ব্যান আমাদের এখানে কাজ করবে না। ওদের ডিজিটাল লিটারেসি, বিকল্প খেলার মাঠ, সামাজিক সুরক্ষা আছে। আমাদের বাচ্চাকে ফোন না দিলে সে কী করবে? মাঠ দখল হয়ে গেছে, পার্কে নিরাপত্তা নেই, স্কুলে লাইব্রেরি নেই। আগে বিকল্প তৈরি করতে হবে।’

দায় কার? রাষ্ট্র, স্কুল, না ঘর?

১. রাষ্ট্রের দায়
বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক করে প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য ‘বাংলাদেশ চাইল্ড সেফটি গাইডলাইন’ করা।
স্কুল কারিকুলামে ‘ডিজিটাল সিটিজেনশিপ’ বিষয় যুক্ত করা। ক্লাস থ্রি থেকেই শেখানো: পাসওয়ার্ড, প্রাইভেসি, ফেক নিউজ, সাইবার বুলিং।
প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি শিশু পার্ক ও খেলার মাঠ উদ্ধার ও সংরক্ষণ।

২. স্কুলের দায়
নো ফোন’ নয়, ‘রাইট ইউজ অব ফোন’ নীতি। ক্লাসে নির্দিষ্ট সময়ে ট্যাব ব্যবহার, বাকি সময় লকারে।অভিভাবক-শিক্ষক মিটিংয়ে স্ক্রিন টাইম নিয়ে কাউন্সেলিং।
অফলাইন এক্সট্রা কারিকুলার বাড়ানো: বিতর্ক, স্কাউট, দেয়াল পত্রিকা।

৩. ঘরের দায়: অভিভাবকই প্রথম ফিল্টার
আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্সের গাইডলাইন:
১৮ মাসের নিচে: ভিডিও চ্যাট ছাড়া স্ক্রিন নয়।
২-৫ বছর: দিনে ১ ঘণ্টা, অভিভাবকের সঙ্গে।
৬+ বছর: সুষম রুটিন, শোবার ঘরে স্ক্রিন নয়, খাবার সময় নয়।

মনোবিদ মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘বাচ্চাকে ফোন থেকে দূরে রাখতে চাইলে আগে নিজে ফোন নামান। আপনি সারাক্ষণ রিলস দেখলে বাচ্চা বই পড়বে কেন? ‘ফ্যামিলি মিডিয়া প্ল্যান’ করুন। রাত ৯টার পর বাড়িতে ‘ডিজিটাল কারফিউ’। সবাই মিলে বোর্ড গেম, গল্প, হাঁটা।’

প্যারেন্টাল কন্ট্রোল টুলস: গুগল ফ্যামিলি লিংক, ইউটিউব কিডস, স্ক্রিন টাইম পাসকোড—এগুলো ব্যবহার করুন। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রযুক্তি দিয়ে প্রযুক্তি ঠেকানো যায় না, সম্পর্ক দিয়ে যায়।

ভারসাম্যের পথ—ধ্বংস না, দক্ষতা

মুঠোফোন ছুরির মতো। ছুরি দিয়ে ফল কাটা যায়, মানুষও খুন করা যায়। দোষ ছুরির না, ব্যবহারকারীর। শিশুর হাতে ফোন তুলে দেওয়া মানে তার হাতে দুনিয়া তুলে দেওয়া—ভালো-খারাপ দুটোই।

কী করা উচিত? ৫টি ‘স্ক্রিন-স্মার্ট’ নিয়ম
1. বয়সভিত্তিক দীক্ষা: ১৩ বছরের আগে নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নয়। ১৬ বছরের আগে পাবলিক প্রোফাইল নয়।
2. কো-ভিউইং: শিশু যা দেখছে, অভিভাবকও দেখুন। ‘এলসা কেন কাঁদছে?’ নিয়ে কথা বলুন। স্ক্রিন টাইমকে ‘আলোচনার টাইম’ বানান।
3. ডিজিটাল রোজা: সপ্তাহে একদিন, দিনে ২ ঘণ্টা—পরিবারের সবাই স্ক্রিন ছাড়া।
4. আউটডোরের বিনিময়ে ইনডোর: ১ ঘণ্টা স্ক্রিন = ১ ঘণ্টা মাঠ। এটা চুক্তি করুন।
5. কনটেন্ট নয়, কনটেক্সট: শুধু ‘কতক্ষণ’ নয়, ‘কী দেখছে’ জরুরি। ৩০ মিনিট কোডিং ৩ ঘণ্টা রিলসের চেয়ে ভালো।

নিষিদ্ধ নয়, নিয়ন্ত্রণই সমাধান

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠিকই বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া সব সময় ভালো জিনিস নিয়ে আসে না। অস্ট্রেলিয়া নিষেধাজ্ঞার পথে গেছে, কারণ তাদের হাতে বিকল্প আছে। আমাদের বিকল্প তৈরি না করে শুধু নিষিদ্ধ করলে শিশুরা ভিপিএনের অন্ধকার গলি খুঁজে নেবে। আবার সম্পূর্ণ লাগামহীন ছেড়ে দিলে তারা ‘ডোপামিন ডিভাইস’-এর দাস হয়ে যাবে।

তাহলে শিশুরা কি মুঠোফোনে ধ্বংস হচ্ছে, নাকি শিখছে? উত্তর: দুটোই। ফোন একা কিছু করে না। আমরা অভিভাবক, শিক্ষক, নীতিনির্ধারকরা যে পরিবেশ তৈরি করেছি, ফোন সেটাকেই ‘অ্যামপ্লিফাই’ করছে। খারাপ কনটেন্ট, খারাপ অভ্যাসকে হাজার গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে; আবার ভালো শিক্ষকের লেকচার, ভালো বই, ভালো আইডিয়াকেও কোটি শিশুর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

শৈশব বাঁচাতে হলে ফোন ভাঙতে হবে না, ভাঙতে হবে আমাদের উদাসীনতা। সন্তানের হাতে ফোন দেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন: আমি কি তাকে সময় দিয়েছি? খেলার মাঠ দিয়েছি? গল্পের বই দিয়েছি? যদি না দিয়ে থাকি, তবে ফোনের দোষ দিয়ে লাভ নেই।

স্ক্রিনের ভেতর শৈশব বন্দি হবে, নাকি মুক্ত হবে—সিদ্ধান্তটা আমাদেরই। প্রযুক্তিকে ভয় নয়, জয় করতে শেখাতে হবে। কারণ আগামী পৃথিবীটা ডিজিটালই হবে। সেই পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে শিশুকে ফোন থেকে দূরে নয়, ফোনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করার শিক্ষা দিয়েই গড়তে হবে। নিষেধাজ্ঞা নয়, নিয়ন্ত্রণ আর নৈতিকতাই হোক আমাদের পথ।

প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.

You might like

About the Author: priyoshomoy