

গাজী মোহাম্মদ মহসিন
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ এবং চাঁদপুর জেলায় গড় পাসের হার ৬৩.৭৫ শতাংশ।
এই ফলাফলের ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মোট ১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ (প্রায় ৫৯%)

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বমোট ২ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ লাভ করে বিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করেছে। এছাড়া ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে ১৭ জন, ‘এ-‘ (এ মাইনাস) পেয়েছে ১৩ জন, ‘বি’ গ্রেড ২৫ জন, ‘সি’ গ্রেড ১৯ জন এবং ‘ডি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
ফলাফল প্রকাশের পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের এই সফলতার পেছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বাবা-মায়ের কঠোর পরিশ্রম এবং নির্দেশনাকে কৃতিত্ব দিয়েছে।
বিদ্যালয়ের এই ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ সকল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরার ‘শপকাজ ইন্টারন্যাশনাল বায়িং হাউজ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের (ম্যানেজিং কমিটি) সভাপতি আলহাজ্ব মনজুরুল হক শোয়েব।
গত সোমবার এক বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়সহ চাঁদপুর সদর উপজেলার সফল সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান।
তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও পরবর্তী শিক্ষাজীবনের সার্বিক উন্নতি কামনা করেন। একই সাথে তিনি উত্তীর্ণদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আগামীতে পাসের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে বিদ্যালয় ফলাফলের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পাটোয়ারী বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর আমাদের পাসের হার প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে। গত বছর বিদ্যালয়ে পাসের হার ছিল মাত্র ৪৪ শতাংশ। বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের অক্লান্ত পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সচেতন সহযোগিতার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি অকৃতকার্য বা পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আগামীতে বিশেষ অতিরিক্ত ক্লাসের (কোচিং) ব্যবস্থা করা হবে, যাতে আগামী বছর বিদ্যালয়ের পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।
প্রকাশিত : বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

















