

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর)সংবাদদাতা:
উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে কৃষি জমির ক্ষতিসাধন করেই চলছে। এতে আবাসিক এলাকা ভাঙ্গনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মাছের ঘের ও ভিটেবাড়ি করে নতুন নতুন কৃষিজমি নষ্ট করা হচ্ছে।
উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা চাঁদপুর ও মধ্য চাঁদপুর গ্রামের একাধিক কৃষি জমিতে চলছে অবৈধ ড্রেজিং।

স্থানীয়রা জানায়, ফসলি জমি থেকে বালি উত্তোলন বিক্রি করায় এলাকার কৃষি আবাদ অনেকটাই বিলুপ্ত হতে বসেছে। সংশ্লিষ্ট এলঅকার লোকজন দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা গেছে, মধ্য চাঁদপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের দোকানের সামনে জনৈক কুদ্দুস খানের মালিকানাধীন জমি থেকে ড্রেজার মেশিনের বালু উত্তোলন চলছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অন্য একটি কৃষিজমি বালি দিয়ে ভরাটের কাজ চলছে। একইভাবে ইতিপূর্বে অন্য একটি জমি থেকে বালি তুলে বিক্রির অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আঃ লতিফ নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন এই ড্রেজার দিয়ে ঠিকাদারি ভিত্তিতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ড্রেজার মালিক লতিফকে পাওয়া যায়নি ।
গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম শেখ বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। এ কারণে তারা কৃষি জমি নষ্ট করে অপরিকল্পিতভাবে মাছের ঘের বা প্রজেক্ট তৈরি করছে। দেশের আইন মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরকে প্রযোজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকার বলেন, উপজেলাটি কৃষি অধ্যুষিত পূর্বে কৃষি আবাদের অনেক রেকর্ড রয়েছে। সাম্প্রতিককালে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন ও ফসলি জমি নষ্ট করে বাড়িঘর নির্মাণসহ নানান কারনে কৃষি আবাদকে হুমকির মূখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। কৃষি আবাদ রক্ষায় আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, অবৈধ ড্রেজার পরিচালনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অনতিবিলম্বে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
প্রকাশিত : শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

















