তারেক রহমান তরুণদের নেতৃত্বে দেখতে চায় সেই সুবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে ইচ্ছা পোষণ করছি : রাশেদ পাঠান

জহিরুল ইসলাম জয় :

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি তারেক মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য ও চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মো. রাশেদ পাঠান ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণদের নেতৃত্বে আসার আহবানকে স্বাগত জানিয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন থেকে মো. রাশেদ পাঠান চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন অংশগ্রহণের পর থেকে এই নেতা এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, যুবসমাজে মাদকের কুফল রোধে খেলাধুলায় সহযোগিতাসহ গরীব অসহায় মানুষের বিয়ের অনুষ্ঠানে আর্থিক ভাবে পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। যে কারনে তাকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

তারেক রহমান সরকার গঠনের পর থেকে মহানগর রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ৫ নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের নিজ গ্রাম ঘনিয়া- মানুরী, বালিমুড়া, ডোমরা, গুয়াটোবাসহ বেশ কিছু এলাকায় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, সমাজ সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং একটি উন্নত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তরুণদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্দীপনা, আর প্রবীণদের মধ্যে জেগেছে প্রত্যাশা। সবারই একটাই চাওয়া এমন একজন জনপ্রতিনিধি, যিনি মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন, কখনো নারী কেলেঙ্কারীতে জড়াবে না,দরবার বানিজ্য করবে না,থানার দালালী করবে না, সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়নকে এগিয়ে নেবেন।

ইউনিয়নের ফারুক মাষ্টার, মোবারক হোসেন ও আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, তারেক রহমানের দৃষ্টিতে তরুণ প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব আসলে সমাজের উন্নয়ন হবে সেই সুবাদে আমরা আগামি নির্বাচনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা মো. রাশেদ পাঠানকে দেখতে চাই।

এ বিষয়ে ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ঘনিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. রাশেদ পাঠান বলেন, আমার নেতা তারেক রহমান তরুণদের নেতৃত্বে দেখতে চায় সেই সুবাদে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শ্রম ঘামের স্বীকৃতি হিসাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পষোণ করেছি। তবে চেয়ারম্যান হওয়া আমার একমাত্র লক্ষ্য নয়; মানুষের সেবা করাই আমার মূল অঙ্গীকার। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত ইউনিয়ন গড়তে চাই।”

তিনি আরও জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররা। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট মো. রাশেদ পাঠানের এই পথচলা মানুষের সেবা ও উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়েই শুরু হয়েছে। এ জন্য তিনি ইউনিয়ন বাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রকাশিত :  ‍বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

You might like