

মালিকুজ্জামান কাকা :
১০নং নাটিমা ইউনিয়নে মোছা: নাজমা খাতুন (৩৮) দিন রাত রাজনীতির মাঠে ও জনসেবায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মহিলা দলের ৮নং ওয়ার্ড খড়ে মান্দারতলার সভাপতি বা সভানেত্রী প্রার্থী তিনি। জনসেবায় প্রীত তৃণমূল। এ কারনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনতা মেম্বার বা সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসাবে পেতে উদগ্রীব।

প্রায় আড়াইহাজার ভোটরের ৭নং মান্দারতলা ওয়ার্ড, ২২০০ ভোটের ৮নং খড়েমান্দারতলা ওয়ার্ড এবং প্রায় দুই হাজার ভোটারের দারিয়াপুর ৯নং ওয়ার্ড নিয়ে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন। এই তিন ওয়ার্ডের মানুষের আশা ভরসার প্রতীক নাজমা খাতুন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনেও তিনি মহেশপুর-কোটচাঁদপুর আসনে ধানেরশীষ প্রতীকের এমপি প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির পক্ষে ব্যাপক গণ সংযোগ করেন। আরো আগে থেকেই তিনি জনসেবায় নিবেদিত। এই জন সেবায় তার পাশে রয়েছেন স্বামী জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক জসিম উদ্দীন।
একদিকে রাজনীতি তার সাথে জনসেবা দুটিই দারুণ সামলাচ্ছেন নাজমা খাতুন। মুখে বিরক্তি নেই। ইউনিয়ন জুড়ে তো বটেই মহেশপুর ও ঝিনাইদহ পর্যন্ত তাকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হররোজ সামলাতে হচ্ছে। নিজের ওয়ার্ডের সভানেত্রী পদটি গেজেটের অপেক্ষায়। তবে পদ নিয়ে নাজমা খাতুনের মাথা ব্যাথা কম। জনসেবা ও রাজনীতি তার কাছে প্রধান গ্রহণযোগ্য।
নিজ এলাকায় ফ্যামিলিকার্ড, কৃষক কার্ড, বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতার সাথে নতুন ভোটার, নাগরিক জন্মনিবন্ধন তাকে সামলাতে হচ্ছে। ৭নং ওয়ার্ড মান্দারতলা মন্ডলপাড়ার কৃষকদল নেতা বকুল বলেন, নাজমা আপা ইতিমধ্যে ভোটার ও সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে তার জনসেবার গুণে। সাধারণ মানুষ নারী পুরুষ তাকে মহিলা মেম্বার পেতে চায়।
৮নং ওয়ার্ডের খড়ে মান্দারতলা পূর্ব পাড়ার মহসিন বলেন, নাজমা ভাবি দল আর জনতার সেবা দুটোই মুন্সীযানায় সামলাচ্ছেন। আমরা চাই তিনি যেন জন প্রতিনিধি হয়ে মানব সেবা করেন। কেননা এমন অনেক পাবলিক সেবা রয়েছে যা জনপ্রতিনিধি ছাড়া করা সম্ভব না। আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছি। আমরা তাকে সংরক্ষিত নারী সদস্য দেখতে চাই।
প্রকাশিত: রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি.














