

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন আগামী ১৬ অক্টোবর শনিবার রাজবাড়ী শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। বেশ কয়েকদফা আলোচনার পর গত ২১ অক্টোবর রাজবাড়ী শিল্পকলা একাডেমি তে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এডভোকেট সানজিদা খানম।
এ সময় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ’র উপস্থিতিতে আলোচনা সভা শেষ হয়।
এরই মধ্যে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে শুরু হয়েছে উদ্বেগ -উৎকন্ঠা। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীরা নতুন নেতৃত্বকে বরণ করতে প্রস্তুত। তবে আগামী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি নবীন ও প্রবীনদের সমন্বয় চায় তৃণমূল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের। সেই সম্মেলনের মাধ্যমে রাজবাড়ী ২ আসনের সংসদ সদস্য জিল্লুল হাকিমকে সভাপতি ও রাজবাড়ী ১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে কিছুদিন পর কাজী কেরামত অব্যাহতি নিলে তার আপন ভাই ইরাদত কাজীকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
বর্তমানে সেই কমিটি বহাল রেখে চলছে ঢিলেঢালা কার্যক্রম, নেই তেমন দলীয় কোন কর্মসূচী।যারফলে এই জেলায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে নতুন করে সম্মেলন করতে চাচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে রাজবাড়ী জেলা ২টি আসন নিয়ে গঠিত, এখানে দুইজন সংসদ সদস্য দুই মেরুতে অবস্থান করছে, রয়েছে দলীয় ও অভ্যান্তরীণ কোন্দল।
রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব রাজবাড়ী জেলায় টিকিয়ে রাখতে হলে অতিদ্রুত সম্মেলন করে নেতৃত্বে পরিবর্তন করে নবীন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন পুরাতনদের বাদ দিয়ে দলের দু’ সময়ের পরিক্ষিত, ত্যাগী,সাহসী এবং দক্ষ সংগঠন দের হাতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দিলে তৃণমূল আওয়ামী লীগ শক্তি শালি হবে।
রাজবাড়ীতে বিভিন্ন সময় নৌকার মনোনয়ন বাণিজ্য হওয়ার নির্বাচনে নৌকার পরাজয় হয়েছে,এই জেলায় অধিকাংশ কমিটিতে হাইব্রীড নেতারা পদে রয়েছে, যারফলে রয়েছে অভ্যান্তীণ কোন্দল।সংসদীয় আসন রাজবাড়ী ১থেকে বারবার নৌকার মনোনয়ন চাওয়া আকবর আলী মর্জী সভাপতি পদপ্রত্যাশী ও রাজবাড়ী ১ আসনের সংসদ সদস্য কেরামত আলী ও রাজবাড়ী ২ আসনের সংসদ সদস্য জিল্লুল হাকিম।
এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য শেখ সোহেল রানা টিপু, ইরাদত কাজী ও মোহাম্মদ আলী চৌধুরী। রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ১/১১ নেত্রী মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক শেখ সোহেল রানা টিপু সবার চাইতে এগিয়ে রয়েছেন।
তিনি বিগত একযুগের বেশী সময় রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও তাদের পাশে দাঁড়ান। তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মী মনে করেন শেখ সোহেল রানা টিপু সাধারণ সম্পাদক হলে আওয়ামী লীগ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তি শালি সংগঠনে রূপ নেবে।
আরো পড়ুন : শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায়
আরো পড়ুন : মেহ প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের কার্যকরী সমাধানসমূহ
আরো পড়ুন : পাইলস রোগে করণীয়
আরো পড়ুন : জেনে নিন দীর্ঘক্ষণ মিলনের ঔষধ
আরো পড়ুন : একজিমা হলে কী করবেন?








