

মালিকুজ্জামান কাকা :
ফ্যামিলি কার্ডে চাঁচড়ার গরীব মধ্যবিত্ত বঞ্চিতের ফাঁদে
সারা দেশে মধ্যবিত্তের বাস বঞ্চিতের ফাঁদে
মনে জ্বালা অন্তরালে আড়ালে হু হু ও কাঁদে
ফকির হাত পাতে দশজনে পরিশ্রমে তার আয়
গরীব ওরা শুধু ভাবে বিধাতা ওদের সর্ব সহায়
মাঝারি ওরা হত বিহবল পড়ে পড়ে শুধুই ব্যায়
দিশেহারা সামাজিক প্রাণী ওষ্ঠাগত প্রাণ যে যায়!

সরকারের সহযোগিতা প্রজায় ভিন্ন আর অঢেল
হতে পারতো উদ্যোগ গরিবের সহযোগিতার মডেল
সাধু উদ্দেশ্য প্রশ্ন বিদ্ধ করে দিল হেথা কয় গুঁতেল।
সবুজ বিপ্লব সেথা গরীব অন্তর্ভুক্ত পরিবেশ কর্মী
না শিক্ষা ওরা স্বজন সহযোগীতায় মানব সেবা ধর্মী
ভুল মোড়ল কর্তায় বার বার কেন ওরা উপেক্ষিত
বলো ওহে কার ভুলে বাঙালি বেচারা সুবিধা বঞ্চিত
মানবতা বিচারের কাঠগড়ায় কেন নয় ওরা দন্ডিত।
সহায়তা প্রয়োজন ওরা ছোট ছোট আয়ের মানুষ
মানবিক গুণ ধারী নেতা হবে হ্যা না তা ভন্ড ফানুস
উদ্দেশ্য উদ্ভাবক উদ্যোক্তা বেশ কর্ম তিনি ভালো
গুণের আভায় জাতীয়তাবাদী ও ছড়ায় আলো
রাজনীতি থেকে নির্বাসন যে যারা কূটিল কালো
ওহে গুণী কর্তা সত্য ও সঠিক ওদের কর্মে মেলো
শহীদ জিয়া ত্যাগী গুণী বীর বিক্রম প্রণিত ১৯ দফা
যারা তার নীতি বিরোধী ওর সাথে না আপোষ রফা
বাংলায় ঘরে ঘরে নিশ্চয় জাতীয়তাবাদী চেতনা
চলে যাবে সামাজিক সুবিধা বঞ্চিতের দুঃখ বেদনা
ওদের কল্যাণ যারা ভুক্তভুগি বঞ্চিত অসহায় এতিম
নিশ্চয় আদর্শ সরকার জনতা প্রজার ভ্রাতৃ প্রতিম
মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ভূমিদস্যু হটাও ওহে আজ
কেঁটে যাক মানব সুধী কর্মী বাঙালির চিন্তার ভাঁজ
ফ্যামিলি ফার্মার্স কার্ড সঠিক জনকে যদি প্রদান
তুমি হবে সাধু নেতা তারেক জিয়া অগ্রগামী মহান
শহীদ জিয়া খালেদা জিয়ার যোগ্য উজ্জ্বল সন্তান
এর পরেও যদি বিরোধীতা ঝেটিয়ে করি বিতাড়ণ।
কৃষি জমি কৃষক শ্রমিক নাগরিক কর ওহে রক্ষা
ওদের দমাতে হবে যারা ভবন নির্মাণে দেয় টেক্কা
আমরা স্বাগত জানায় দুঃখ ভুলে হবো বটে সখা
ছোট ছোট ভুল যদি দিওনা হে নেতা বড্ড বকা
দাবী মানুষ মানবতা সাধু কর্ম ধর্ম প্রজায় উন্নয়ন
সেই সাথে অক্সিজেন ফান্ড গড়তে সদা বনায়ন।
যশোরে সম্প্রতি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হয়েছে। যেখানে প্রাধান্য গাড়ি বাড়ি মার্কেটের মালিক। সাথে আছে নামকা ওয়াস্তে কতিপয় গরীবমানুষ। কার্ড বঞ্চিত এলাকার সিংহভাগ মধ্যবিত্ত। জাতীয়তাবাদী আঞ্চলিক নেতারা ওদের বেমালুম ভুলে গেছেন। গত ১৬ মে যশোর শহরতলীর ১০ নং চাঁচড়া ইউনিয়নের সাত নং ওয়ার্ড এ ২০৪২ টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
কার্ড তালিকায় দেখা ও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যাদের পাকা দালানবাড়ি ভবন ইমারত রয়েছে সেই সব বাড়ির নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। মুষ্টিমেয় কয়েক জন হত গরীব এই তালিকাভুক্ত হয়েছেন। কিন্তু বড় অংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীরা বাদ পড়েছেন।
জানা যায়, সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তর ফ্যামিলি কার্ড যাচাই বাছাইয়ের দায়িত্বে ছিল। তাদের বাছাইকৃত তালিকা সংযোজন বিয়োজন করে কিছু ধনী পরিবারের সদস্যদের অন্তঃভুক্ত করা হয়েছে। আর এই সহযোগিতার নামে নিজেদের পকেটের লোকদের টুক করে তালিকাভুক্ত করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুজ্জামান বাবলা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ টগর। এদের সহযোগিতায় ছিলেন ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী সাহানা বেগম ও থানা বিএনপির জৈনক নেতা ওয়াহিদ সেকেন্দার লুলু।
না পাওয়া তালিকায় রয়েছে অসহায় মনি, পলি, জিল্লুর বউ, তুষারের বউ সোনালী, ছোটোর বউ নাহার, সাহাদতের বউ রানী, সাহা আলমের বউ আসমা বেগম।
পাওয়ার তালিকায় আছেন শাহজাহান, মল্লিক, সাবেক মেম্বার, প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী, ধনী অনেকেই। মাত্র ২০০ গরীব পরিবারের কপালে সরকারের এই সাধু কার্ড জুটেছে।
স্থানীয়রা বলেন, চাঁচড়া বড় গ্রাম। এখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। চার হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু কেন তারা পায়নি বা আগামীতে বঞ্চিতদের আর কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হবে কিনা তারা তা জানেনা। তারা এটি নিয়ে এখন অন্ধকারে রয়েছেন। অথচ এই চাঁচড়া হতে পারতো যশোর তথা সারা দেশের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ মডেল। বিধি বাম তা হয়নি।
প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ খ্রি.
















