কুঞ্চিত বাসনার বেলাভূমি : যুবক অনার্য

পোড়া এ কপাল মোর সইবে না
অসহ্য কোনো সুখ, কিছুটা দুঃখ দিও
ভুলের মুদ্রা দিয়ে মেপে।
এতো বেশি সুখ হ’লে
সত্যকে দুঃস্বপ্ন ভেবে
কুঁকড়ে যাবো জানি।

বেদনার বিবর্ণ বাকলে নিজেকে
মুড়ে নিতে সাধ হয় বড়ো;
কিছুটা ঘৃণা দিও অনুগ্রহ ক’রে।
উজাড় ক’রে বেসো নাকো ভালো,
পোয়াতি নদীর মতো ভরা বর্ষন
আর জোয়ারে মুদ্রিত ভালোবাসা
পাবার যোগ্য মনে হয়নি নিজেকে
কোনো কালে।

জলের মতন সহজ ওরকম
ভাষা ছুঁয়ে অভ্যস্ত নই- অনায়াস জীবন
যে- রকম সিঁড়ি ভেঙে উঠে পড়ে
নরম শরীরে; সামান্য জটিল
আর দুর্বোধ্য হ’লে তবে রিনিঝিনি বাজে, যেনো বা নগ্নতা জড়িয়ে রেখেছে
আবরণ তার- এ কথা হুট করে
ভেবে নেয়া চলে।

দিও না প্রশ্রয় অবলীলাক্রমে, বঞ্চনার করাঘাতে নীল নীল যদি না বনভূমি হই-
‘সব কলি ফুল নয়’ – অজানা রয়ে যাবে জানবার মতো ভাণ ক’রে।
অতোটা প্রেম নয়, কিছুটা আঘাত
আর দাহপত্র পুড়ে দিক জৈব পাথার;
অতিশয় প্রেম পেলে ভুলে যাবো
কিছুটা পিছুটান আজও রয়ে গেছে,
ভুলে যাবো পেছনে পড়ে থাকা পাখিরাত হারানো পালক।
নিয়মসিদ্ধ পবিত্র হবার কথা থাক,
কিছুটা পাপ থাকা চাই;
অধিক পূণ্য হলে নরকসজ্জা মনে হবে-
আহা অসহায় কী যে!

মনভুলে ডেকো না খুব বেশি কাছে,
প্রেম আর বিরহ যতোটুকু কাছাকাছি, ততোটুকু নিরাপদ দূরে থাকা ভালো;
অতো বেশি কাছে গেলে মনে হবে-
ছুঁয়ে দিলে হৃদয়ের কারাগারে
কেঁপে ওঠে কতোটা হাহাকার-
বুঝিনি কখনোই- মনে হবে-
রৌদ্র থেকে চন্দ্রাতপ খুব বেশি দূরে!

You might like