যে অভিপ্রায় রক্তমাংস নয় : যুবক অনার্য

যে আমাকে অল্প তেলেই অতিক্রম করতে হয় অধিকতম দূরত্বের অন্ধকার
সেই আমাকেই তুমি বাসতে চেয়েছিলে ভালো
অন্ধ কী দারুণ অন্ধ হয়ে অন্ধতম হয়ে
কেনো এরকম তীর্যক পটভূমি তোমার!

হে নারী, বুঝতেই পারলে না পৃথিবীতে ভেসে আছে
এখনো ঢেউ ভাঙা রোদ্দুর
বুঝতেই পারছো না -কেনো মানুষেরা
কংকাল হবার পরেও রেখেছে

হাসতে পারার মতো অধিকার
কী এমন নিরাপত্তা আছে এই আমার
জাগ্রত চেতনা আর নির্ঘুম এমন শরীরে আমার!

কোথাও কি জেগে আছে নিরাপদ আলোয়
এ বাংলার বুকে ঠোঁটে
খুন করে ফেলবার মতো
প্রতিটি ভাঁজে আর গোলক চিহ্নিত দাগে!

বোলবে ওরাও, জানি- বেশ তো লিখেছো কবি
এইবার তবে জলে মুখ ভিজিয়ে
ডাঙায় উঠো এসো
দেখি -কি রকম পুরুষ হয়েছো তুমি!

হে নারী , বুঝতেই পারছো না – এ কোনো পৌরুষের ঘনঘটা নয়
এ কেবল বৈচিত্র ভেঙে বিচিত্র এক ভাঙনের
ষড়ৈশ্বর্য কোলাহল
দ্যাখো না- সবকিছু কী অদ্ভুত উর্ধ্বমূখী
তবু কেবল আমি কেবলি আমি নতুজানু হয়ে আজো তোমাকে এক তীব্র নারী সত্তা আর সত্যাসত্য ভেবে
বুকে নিয়ে আত্মহননের সুখ
বসে থাকি তোমারই পায়ের খুব কাছাকাছি

হে রমনী,হে রমণশীল মানুষের শব্দভূক শরীর
শোনো তবে,তবুও এ কোনো পৌরুষের
শরীর গন্ধা ছোবলের রক্তপাত,
অবদমিত এক আকস্মিক রেজঃপাত নয়।

১৮ চাকায় থেতলে যেতে যেতে
বুকে নিয়ে হননের সুখ
এ প্রয়াস কেবলি নারী নয়
রক্তমাংস শরীর নয়
এ কেবল মানুষজন্মের ঘরে তীব্র এক
মানুষীর কাছে ফিরে আসা
ফিরে এসে ফের ভেঙে পড়া।

তবু তুমি বুঝতেই পারছো না
তবু কি বুঝতেই পারছো না তুমি!

You might like