
যুবক অনার্য :
মনিষা, তুমি আমায় রূপে ভুলাতে চেয়েছিলে
কিন্তু আমি ভুলতে চেয়েছিলাম ভালোবাসায়
মনে হয়েছিলো বুঝি গৎবাঁধা আমাকে তোমার!
মনিষা, আমার কবিতায় আজ কোনো তুমি নেই
নেই কোনো আমি।

কবিতা হতে চাইছে নৈর্ব্যক্তিক
কিন্তু কেনো! কথা সে যে অনেক!-
তবে তুমি অন্তত নিত্য মালাকার পড়ে নিতে পারো
যা পড়ে নিলে পড়া হয়ে যাবে না- হতে পারা
আত্মা আমার।
অবশ্য এসবে তোমার কিছুই যায় না আসেও না জগৎ চলছে পূব দিকে , তুমিও। আমি পশ্চিমে। তোমার নিশ্চয়ই ঠেকা পড়বার কথা নয়
সুপাঠ্য জনপ্রিয় আর টেক্সচুয়াল ছেলেপুলে রেখে আমার মতন এক তীব্রতম ধ্বস্ত ও ধ্বংসের দিকে ছুটে আসা বোকা মেয়েটিত মতো
যে মেয়েটির নাম… থাক, বোকা মেয়েটি
থেকে যাক অপ্রকাশিত যেরকম
অপ্রকাশিত থেকে গিয়েছিলো পৃথিবীর
কতো কতো দৃঢ় আর সুঠাম পান্ডুলিপি বহুকাল!
থাক, থেকে যাক এসকল আজ।
লক্ষ্য করে ভাবছো নিশয়ই- অক্তাভিও পাজের পর নতুন কথা আর কে বলেছে বিগত বিংশশতাব্দীতে!
মনি,এরকম আমিও, ঠিক আমিও ভেবে ভেবে ভাবনায় মুঘ হয়ে ডুবে থাকি বলে সই করে দিয়েছি কবিতার তালাকনামায়!
আমি তাই আজ কেউ নই কবিতার
আমি তাই আজ কেউ নই কারো!








