অপাংক্তেয় পুরুষ : যুবক অনার্য 

আজ রাতেও একটি কবিতা লিখতে গিয়ে  ব্যর্থ  হলাম যেভাবে ব্যর্থ হই প্রতিদিন রাতে।মাঝে মাঝে ভাবি এই ব্যর্থতার সংগে  নারীকে প্রেমের উদ্দেশে  পটকাতে গিয়ে ব্যর্থ  হবার  সংগে  কোনো সামঞ্জস্য  আছে কি?
“পটকানো” এই শব্দ প্রয়োগে নারীগণ নিশ্চই মাইন্ড করে বলবেন:এসব খুব অরুচিকর শব্দ-আপনাকে মানায় না একদম।আমি অগত্যা মেনে নিয়ে এই শব্দটি কেটে দিলাম।এর পরিবর্তে একটি পুর্ণাঙ্গ বাক্য লিখলাম।
আমি লিখলাম-কবিতাও নারীর মতোই- ধরা দেয় অবিশ্বস্ত পুরুষের  কাছে যে পুরুষ  খুব সহজেই বলতে জানে:”আমি তোমাকে ভালোবেসে খুন করতে বড্ড ভালোবাসি  কারণ আমি তোমাকে কখনওই ভালোবাসিনি কেননা আমি জানি ভালোবাসলেই আমাকে প্রত্যাখ্যান  করে চলে যেতে পর পুরুষের  হাত ধরে ঠিক  আমার বাড়ির সামনে দিয়ে প্রধান সড়কটি পার হয়ে আর এমন ভাবে হাসতে হাসতে যেনো আমি হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরি। অথচ তোমার জানা নেই যে-আমি কাউকেই ঈর্ষা করি না কারণ আমার কাছে আমিই  শ্রেষ্ট পুরুষ পৃথিবীর ,জগতের অন্য কেউ নয়।”
উপসংহারে তাই  বলতেই পারি নারী আর কবিতাকে পেতে হলে খুনি হতে হয়।খুনি হতে পারি নি বলেই আজ রাত এবং প্রতিটি রাতেই আমার উদ্দেশে আভিধানিক  কিংবা প্রমিত যে পংক্তিটি অপেক্ষা করে থাকে তার একটি সরল বর্ণনা এরকম: রাত্রি জেগে জেগে যিনি কবিতা ও নারীর কাছে এক অপাংক্তেয়  পুরুষ,  বিশ্বস্ত বা অবিশ্বস্ত সে নয়,বড়জোর নপুংসক  কিংবা দন্ডিত অপুরুষ!

You might like